📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 কাঁদা, কুঁপিয়ে কাঁদা, উঁহু আহু করে কাত্‌রানো

📄 কাঁদা, কুঁপিয়ে কাঁদা, উঁহু আহু করে কাত্‌রানো


নামাযের মধ্যে কাঁদা, কুঁপিয়ে কাঁদা, উঁহু আহু করে কাত্‌রানো জায়েয, যদি তা আল্লাহর ভয়ে বা তার প্রতি বিনয় প্রকাশে হয়। রসূলুল্লাহ সা. যখন কুরআন পাঠ করতেন বা নামায পড়তেন, তখন তিনি কাঁদতেন।

তবে যদি এটি পার্থিব কারণে বা লোক দেখানো উদ্দেশ্যে হয়, তাহলে তা নামাযের একাগ্রতা নষ্ট করে এবং মাকরূহ।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 প্রয়োজনে ঘাড় সোজা রেখে এদিক ওদিক তাকানো

📄 প্রয়োজনে ঘাড় সোজা রেখে এদিক ওদিক তাকানো


নামাযের মধ্যে প্রয়োজনে ঘাড় সোজা রেখে এদিক ওদিক তাকানো জায়েয, তবে এটি মাকরূহ। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "নামাযে ঘাড় ঘোরানো শয়তানের ছিনতাই, যা সে বান্দার নামায থেকে ছিনিয়ে নেয়।" (বুখারি)

তবে যদি কোনো জরুরি প্রয়োজন থাকে, যেমন কোনো বিপদ বা হুমকির আশঙ্কা, তাহলে তাকানো জায়েয।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 সাপ, বিচ্ছু ইত্যাদি কষ্টদায়ক প্রাণী মারা

📄 সাপ, বিচ্ছু ইত্যাদি কষ্টদায়ক প্রাণী মারা


নামাযের মধ্যে সাপ, বিচ্ছু ইত্যাদি কষ্টদায়ক প্রাণী মারা জায়েয, যদি তা নামাযীর জন্য ক্ষতিকর হয়। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "নামাযে সাপ ও বিচ্ছুকে মারো, কারণ তারা মানুষকে কষ্ট দেয়।" (আবু দাউদ)

তবে এটি এমনভাবে করতে হবে যাতে নামাযের রুকনগুলো নষ্ট না হয়।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 প্রয়োজনে খাতিরে সামান্য হাঁটা

📄 প্রয়োজনে খাতিরে সামান্য হাঁটা


নামাযের মধ্যে প্রয়োজনে সামান্য হাঁটা জায়েয, তবে এটি বেশি হলে নামায বাতিল হয়ে যেতে পারে। রসূলুল্লাহ সা. যখন নামায পড়ছিলেন, তখন তিনি তার মেয়ের শিশু উমামাকে বহন করে নামায আদায় করেছিলেন। (বুখারি, মুসলিম)

তবে এটি শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে জায়েয, যেমন কাতার সোজা করা বা সুতরা স্থাপন করা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00