📄 আড়াল রাখার বিধান
নামায আদায়ের সময় নামাযীর সামনে একটি সুতরা বা আড়াল রাখা সুন্নাত। সুতরা হলো একটি ছোট বস্তু (যেমন লাঠি, দেয়াল, বা অন্য কোনো বস্তু) যা নামাযীর সামনে রাখা হয়, যাতে অন্য কেউ তার সামনে দিয়ে যেতে না পারে। রসূলুল্লাহ সা. যখন নামায পড়তেন, তখন তিনি সুতরা রাখতেন।
সুতরা স্থাপন করার উদ্দেশ্য হলো নামাযীর একাগ্রতা বজায় রাখা এবং অন্যদেরকে তার সামনে দিয়ে যাওয়া থেকে বিরত রাখা।
📄 কিসের দ্বারা সুতরা কার্যকর হবে
সুতরা হিসেবে যেকোনো বস্তু ব্যবহার করা যেতে পারে, যা কমপক্ষে এক হাত বা এক বর্শা পরিমাণ উঁচু এবং যা নামাযীর সামনে রাখা যায়। যেমন:
১. লাঠি বা ছড়ি
২. দেয়াল বা খুঁটি
৩. গাছ বা কোনো উঁচু বস্তু
৪. এমনকি একটি জুতা বা কোনো বইও সুতরা হিসেবে ব্যবহার করা যায়, যদি তা যথেষ্ট উঁচু হয়।
সুতরা স্থাপনের উদ্দেশ্য হলো মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং নামাযীর সামনে দিয়ে যাওয়া থেকে বিরত রাখা।
📄 ইমামের সুতরাই মুকাদির সুতরা
যদি ইমাম সুতরা স্থাপন করে, তাহলে সেই সুতরাই সকল মুক্তাদির জন্য সুতরা হিসেবে গণ্য হবে। মুক্তাদিদের আলাদাভাবে সুতরা স্থাপন করার প্রয়োজন নেই। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "ইমামের সুতরা সকল মুক্তাদির জন্য যথেষ্ট।" (আবু দাউদ)
এটি জামাতে নামাযের একটি সুবিধা, যা মুক্তাদিদের জন্য নামায আদায় করা সহজ করে।
📄 আড়ালের কাছাকাছি অবস্থান করা উচিত
নামাযীর উচিত তার সুতরার কাছাকাছি অবস্থান করা, যাতে অন্য কেউ তার এবং সুতরার মাঝখান দিয়ে যেতে না পারে। রসূলুল্লাহ সা. যখন সুতরা রাখতেন, তখন তিনি তার কাছাকাছি দাঁড়াতেন।
এটি নামাযের একাগ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং অন্যদেরকে নামাযীর সামনে দিয়ে যাওয়া থেকে বিরত রাখে।