📄 কবর এবং কবরস্থানে নামায পড়া নিষেধ
কবর এবং কবরস্থানে নামায পড়া নিষেধ। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "তোমরা কবরগুলোকে নামাযের স্থানে পরিণত করো না।" (মুসলিম)
এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হলো, কবরস্থানে নামায পড়লে শিরকের (আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন) আশঙ্কা থাকে এবং মৃতদের পূজা করার পথ খুলে যায়। তবে জানাযার নামায কবরস্থানে পড়া জায়েয, কারণ এটি মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া।
📄 ইহুদী ও খৃষ্টানদের উপাসনালয়ে নামায পড়া নিষেধ
ইহুদী ও খৃষ্টানদের উপাসনালয়ে (গির্জা, সিনাগগ) নামায পড়া নিষেধ। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "তোমরা ইহুদী ও খৃষ্টানদের উপাসনালয়ে নামায আদায় করো না।" (আবু দাউদ)
এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হলো, তাদের উপাসনালয়ে মূর্তি, ছবি বা শিরকের অন্যান্য উপকরণ থাকতে পারে, যা নামাযের পবিত্রতার পরিপন্থী। তবে যদি সেখানে কোনো ছবি বা মূর্তি না থাকে এবং নামাযের ওয়াক্ত হয়ে যায়, তাহলে জায়েয হতে পারে, এ নিয়ে ফকীহগণের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
📄 আস্তাকুঁড়ে, কসাইখানায়, সড়কের ভিড় সকল জায়গায়, গোয়ালঘরে স্নানাগারে ও কা’বা শরীফের ছাদের উপর নামায নিষেধ
কিছু নির্দিষ্ট স্থানে নামায আদায় করা নিষেধ বা মাকরূহ:
১. আস্তাকুঁড়ে: নোংরামি ও অপবিত্রতার কারণে।
২. কসাইখানায়: রক্ত ও অপবিত্রতার কারণে।
৩. সড়কের ভিড় সকল জায়গায়: মানুষের চলাচলের ব্যাঘাত ঘটায় এবং একাগ্রতা নষ্ট করে।
৪. গোয়ালঘরে: অপবিত্রতা ও পশুর বিষ্ঠার কারণে।
৫. স্নানাগারে (গোসলখানা): অপবিত্রতা এবং শয়তানের অবস্থানের কারণে।
৬. কা’বা শরীফের ছাদের উপর: কাবার মর্যাদার পরিপন্থী হওয়ার কারণে।
রসূলুল্লাহ সা. এই স্থানগুলোতে নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেন। এই স্থানগুলোতে নামায আদায় করলে নামায বাতিল হয়ে যেতে পারে বা মাকরূহ হবে।