📄 মসজিদে ভিক্ষা করা
মসজিদে ভিক্ষা করা জায়েয নয়, যদি না কোনো প্রকৃত অভাবী ব্যক্তি হয়। রসূলুল্লাহ সা. মসজিদে ভিক্ষা করতে নিষেধ করেছেন। তবে যদি কেউ প্রকৃত অভাবী হয় এবং তার প্রয়োজন তীব্র হয়, তাহলে তাকে সাহায্য করা জায়েয।
মসজিদকে ভিক্ষাবৃত্তির স্থানে পরিণত করা উচিত নয়।
📄 মসজিদে উক্ত স্বরে আওয়ায তোলা
মসজিদে উচ্চস্বরে কথা বলা বা আওয়াজ তোলা মাকরূহ, যদি তা নামাযীদের বা অন্যান্য ইবাদতকারীদের একাগ্রতা নষ্ট করে। রসূলুল্লাহ সা. মসজিদে উচ্চস্বরে কথা বলতে নিষেধ করেছেন।
তবে যদি কোনো জরুরি প্রয়োজন থাকে, যেমন খুৎবা দেওয়া বা শিক্ষাদান করা, তাহলে উচ্চস্বরে কথা বলা জায়েয।
📄 মসজিদে কথা বলা
মসজিদে কথা বলা জায়েয, তবে তা বিনয়ী ও শান্তভাবে হওয়া উচিত। উচ্চস্বরে বা অনর্থক কথা বলা মাকরূহ। রসূলুল্লাহ সা. সাহাবিদেরকে মসজিদে বসে কথা বলার অনুমতি দিয়েছিলেন, তবে তা ইবাদতের একাগ্রতা নষ্ট না করে।
মসজিদ ইবাদতের স্থান, তাই সেখানে আল্লাহর স্মরণ এবং নেক কাজের প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিত।
📄 মসজিদে পানাহার ও ঘুমানো বৈধ
মসজিদে পানাহার করা এবং ঘুমানো জায়েয, যদি তা মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট না করে এবং নামাযীদের বিরক্ত না করে। রসূলুল্লাহ সা. এর যুগে সাহাবিরা মসজিদে পানাহার করতেন এবং ঘুমাতেন।
তবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং অতিরিক্ত পানাহার থেকে বিরত থাকা উচিত।