📄 মসজিদকে সুসজ্জিত করা
মসজিদকে সুন্দরভাবে সুসজ্জিত করা এবং এর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সা. মসজিদের পরিচ্ছন্নতার প্রতি অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন। তবে মসজিদকে অতিরিক্ত জাঁকজমকপূর্ণ করা বা এমনভাবে সাজানো যা নামাযীদের একাগ্রতা নষ্ট করে, তা মাকরূহ।
মসজিদের সাজসজ্জা নামাযীদেরকে আল্লাহর প্রতি আকৃষ্ট করতে সাহায্য করে।
📄 মসজিদকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা ও সুগন্ধিযুক্ত করা
মসজিদকে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সুগন্ধিযুক্ত করা মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "মসজিদগুলো আল্লাহর ঘর, তাই সেগুলোকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখো এবং সুগন্ধিযুক্ত করো।" (তিরমিযি)
মসজিদের পরিচ্ছন্নতা আল্লাহর প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং নামাযীদের জন্য একটি আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করে।
📄 মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ
মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ মুসলিম সমাজের একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। মসজিদের মেরামত, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং অন্যান্য প্রয়োজন পূরণের জন্য মুসলিমদের সহযোগিতা করা উচিত। আল্লাহ তাআলা বলেন: "আল্লাহর মসজিদগুলো তারাই আবাদ করে, যারা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে।" (সূরা তওবা: ১৮)
মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা এবং তাঁর ঘরের প্রতি সম্মান প্রকাশ পায়।
📄 হারানো জিনিসের ঘোষণা, বেচাকেনা ও কবিতা পাঠ মাকরুহ
মসজিদে হারানো জিনিসের ঘোষণা দেওয়া, বেচাকেনা করা এবং উচ্চস্বরে কবিতা পাঠ করা মাকরূহ। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যদি তোমরা কাউকে মসজিদে হারানো জিনিসের ঘোষণা দিতে দেখো, তাহলে বলো: আল্লাহ যেন তা তোমাকে ফেরত না দেন।" (মুসলিম)
এটি মসজিদের পবিত্রতা ও একাগ্রতা বজায় রাখার জন্য করা হয়েছে। মানুষ মসজিদে ইবাদত করতে আসে, তাই সেখানে পার্থিব বিষয় নিয়ে ব্যস্ত হওয়া উচিত নয়।