📄 মসজিদে যাওয়া ভেতরে বসার ফযিলত
মসজিদে গিয়ে নামাযের জন্য অপেক্ষা করার অনেক ফযিলত রয়েছে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন নামাযের জন্য অপেক্ষা করে, তখন সে যেন নামাযেই থাকে।" (বুখারি, মুসলিম)
নামাযের জন্য অপেক্ষা করার সময় ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করে এবং গুনাহ মাফ হয়।
📄 তাহিয়াতুল মসজিদ
মসজিদে প্রবেশ করার পর দুই রাকাত নামায আদায় করা মুস্তাহাব, যদি না ফরয নামাযের জামাত শুরু হয়ে যায়। এই নামাযকে 'তাহিয়্যাতুল মসজিদ' (মসজিদের সম্মানার্থে নামায) বলা হয়। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যদি তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করে, তাহলে সে যেন বসার পূর্বে দুই রাকাত নামায আদায় করে।" (বুখারি, মুসলিম)
এই নামায মসজিদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং আল্লাহর প্রতি বিনয় প্রকাশ করে।
📄 শ্রেষ্ঠ মসজিদ
ইসলামে তিনটি মসজিদকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে:
১. মাসজিদুল হারাম (কাবা শরীফ, মক্কা): এটি মুসলিমদের কিবলা এবং পৃথিবীর প্রথম মসজিদ।
২. মাসজিদে নববী (মদিনা): রসূলুল্লাহ সা. এর নির্মিত মসজিদ এবং তাঁর কবরও এখানে অবস্থিত।
৩. মাসজিদুল আকসা (জেরুজালেম): এটি মুসলিমদের প্রথম কিবলা এবং অনেক নবীর স্মৃতি বিজড়িত স্থান।
রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "নামাযের জন্য শুধুমাত্র তিনটি মসজিদের দিকে সফর করা জায়েয: মাসজিদুল হারাম, মাসজিদে নববী এবং মাসজিদুল আকসা।" (বুখারি, মুসলিম)
📄 মসজিদকে সুসজ্জিত করা
মসজিদকে সুন্দরভাবে সুসজ্জিত করা এবং এর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সা. মসজিদের পরিচ্ছন্নতার প্রতি অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন। তবে মসজিদকে অতিরিক্ত জাঁকজমকপূর্ণ করা বা এমনভাবে সাজানো যা নামাযীদের একাগ্রতা নষ্ট করে, তা মাকরূহ।
মসজিদের সাজসজ্জা নামাযীদেরকে আল্লাহর প্রতি আকৃষ্ট করতে সাহায্য করে।