📄 মসজিদ অভিমুখে যাত্রা করার দোয়া
মসজিদ অভিমুখে যাত্রা করার সময় দোয়া পাঠ করা মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সা. যখন মসজিদের দিকে যেতেন, তখন এই দোয়া পাঠ করতেন:
"আল্লাহুম্মা ইজআল ফী ক্বালবী নূরা, ওয়া ফী লিসানী নূরা, ওয়া ফী সাময়ী নূরা, ওয়া ফী বাসারী নূরা, ওয়া মিন ফাওকী নূরা, ওয়া মিন তাহতী নূরা, ওয়া আন ইয়ামিনী নূরা, ওয়া আন শিমালী নূরা, ওয়া মিন আমামী নূরা, ওয়া মিন খালফী নূরা, ওয়াজআল ফী নফসী নূরা, ওয়া আযযিমলী নূরা, ওয়া আজআলনী নূরা।" (হে আল্লাহ, আমার অন্তরে নূর দাও, আমার যবানে নূর দাও, আমার কানে নূর দাও, আমার চোখে নূর দাও, আমার উপরে নূর দাও, আমার নিচে নূর দাও, আমার ডানে নূর দাও, আমার বামে নূর দাও, আমার সামনে নূর দাও, আমার পেছনে নূর দাও, এবং আমাকে নূরওয়ালা বানাও, আমার নূরকে বড় করে দাও।)
এই দোয়া নামাযের প্রতি একাগ্রতা বাড়াতে এবং আল্লাহর প্রতি বিনয় প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
📄 মসজিদে প্রবেশ ও মসজিদ থেকে বের হওয়ার দোয়া
মসজিদে প্রবেশ ও মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় দোয়া পাঠ করা মুস্তাহাব।
মসজিদে প্রবেশের দোয়া: "আল্লাহুম্মা ফতাহলী আবওয়াবা রাহমাতিক।" (হে আল্লাহ, আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাগুলো খুলে দিন।)
মসজিদ থেকে বের হওয়ার দোয়া: "আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন ফাদলিকা।" (হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহ চাই।)
এই দোয়াগুলো আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহ কামনা করে।
📄 মসজিদে যাওয়া ভেতরে বসার ফযিলত
মসজিদে গিয়ে নামাযের জন্য অপেক্ষা করার অনেক ফযিলত রয়েছে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন নামাযের জন্য অপেক্ষা করে, তখন সে যেন নামাযেই থাকে।" (বুখারি, মুসলিম)
নামাযের জন্য অপেক্ষা করার সময় ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করে এবং গুনাহ মাফ হয়।
📄 তাহিয়াতুল মসজিদ
মসজিদে প্রবেশ করার পর দুই রাকাত নামায আদায় করা মুস্তাহাব, যদি না ফরয নামাযের জামাত শুরু হয়ে যায়। এই নামাযকে 'তাহিয়্যাতুল মসজিদ' (মসজিদের সম্মানার্থে নামায) বলা হয়। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যদি তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করে, তাহলে সে যেন বসার পূর্বে দুই রাকাত নামায আদায় করে।" (বুখারি, মুসলিম)
এই নামায মসজিদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং আল্লাহর প্রতি বিনয় প্রকাশ করে।