📄 যে ব্যক্তি সক্ষম তাকে করে তার পেছনে নামায পড়া
যদি কোনো ব্যক্তি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয় এবং নামাযের রুকনগুলো সঠিকভাবে আদায় করতে না পারে, তাহলে তার জন্য সক্ষম ব্যক্তির পেছনে নামায আদায় করা জায়েয। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যদি কেউ অসুস্থ হয়ে যায়, তাহলে সে যেন বসে নামায আদায় করে, আর যদি সে বসেও না পারে, তাহলে শুয়ে।" (বুখারি, মুসলিম)
📄 ইমাম কর্তৃক প্রতিনিধি নিয়োগ
ইমাম যদি অসুস্থ হয়ে যায় বা কোনো কারণে নামায ছেড়ে দেয়, তাহলে সে অন্য কাউকে তার স্থানে ইমামতি করার জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করতে পারে। রসূলুল্লাহ সা. তার অসুস্থতার সময় আবু বকর রা. কে ইমামতি করার জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করেছিলেন।
এই প্রতিনিধিকে অবশ্যই নামাযের আহকাম সম্পর্কে জ্ঞানী এবং জামাতে নামাযের জন্য যোগ্য হতে হবে।
📄 যাকে লোকেরা পছন্দ করেনা তার ইমামতি
যাকে লোকেরা পছন্দ করে না, তার ইমামতি করা মাকরূহ। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "তিন প্রকারের নামায আল্লাহ কবুল করেন না: ১. যে ব্যক্তি কোনো কাওমের ইমামতি করে অথচ তারা তাকে অপছন্দ করে, ২. যে ব্যক্তি নামাযের শেষ ওয়াক্তে আসে, ৩. যে ব্যক্তি দাস মুক্ত করার পর তাকে বিক্রি করে।" (তিরমিযি)
তবে যদি পছন্দ না করার কারণ শরিয়তসম্মত না হয়, তাহলে তার ইমামতি জায়েয।
📄 ইমাম ও মুক্তাদিদের কর্তব্য
ইমাম ও মুক্তাদি উভয়েরই কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে:
ইমামের কর্তব্য:
১. নামায সংক্ষিপ্ত করা, যাতে নামাযীদের জন্য কষ্টকর না হয়।
২. নামাযের রুকন ও ওয়াজিবগুলো সঠিকভাবে আদায় করা।
৩. মুক্তাদিদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া।
মুক্তাদিদের কর্তব্য:
১. ইমামের অনুসরণ করা এবং তাকে অতিক্রম না করা।
২. কাতার সোজা করা এবং ফাঁকা ছাড়া হওয়া।
৩. নামাযে একাগ্রতা বজায় রাখা।
৪. ইমামের পেছনে কিরাত মনোযোগ দিয়ে শোনা।