📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 মহিলাদের জন্য মহিলার ইমামতি মুস্তাহাব

📄 মহিলাদের জন্য মহিলার ইমামতি মুস্তাহাব


মহিলাদের জামাতে মহিলাদের ইমামতি করা জায়েয এবং মুস্তাহাব। এক্ষেত্রে মহিলা ইমাম পুরুষদের মতো সামনে না দাঁড়িয়ে কাতারের মাঝখানে দাঁড়াবে। উম্মে সালামা রা. এবং আয়েশা রা. মহিলাদের ইমামতি করতেন।

এটি মহিলাদের মধ্যে নামাযের প্রতি উৎসাহ বাড়ায় এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 পুরুষ কর্তৃক শুধু মহিলাদের ইমামতি

📄 পুরুষ কর্তৃক শুধু মহিলাদের ইমামতি


পুরুষ কর্তৃক শুধু মহিলাদের ইমামতি করা জায়েয। এক্ষেত্রে পুরুষ ইমাম মহিলাদের সামনে দাঁড়াবে, তবে মহিলাদের জন্য পর্দার বিধান মেনে চলতে হবে। রসূলুল্লাহ সা. মহিলাদের জন্য আলাদা জামাতের ব্যবস্থা করতেন এবং তাদের ইমামতি পুরুষরাই করতেন।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 ফাসেক ও বিদয়াতির ইমামতি মাকরূহ

📄 ফাসেক ও বিদয়াতির ইমামতি মাকরূহ


ফাসেক (পাপাচারী) ও বিদয়াতি (নতুন প্রথা অনুসারী) ব্যক্তির ইমামতি করা মাকরূহ। যদিও তাদের পেছনে নামায আদায় করা জায়েয, তবে সৎ ও সুন্নাহ অনুসারী ব্যক্তির পেছনে নামায আদায় করা উত্তম। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যদি তোমাদের উপর এমন ব্যক্তি ইমামতি করে, যার চরিত্র ও দীনদারিতে তোমাদের সন্দেহ আছে, তাহলে তার পেছনে নামায আদায় করো না।" (আবু দাউদ)

তবে যদি অন্য কোনো সৎ ইমাম না পাওয়া যায়, তাহলে তাদের পেছনে নামায আদায় করা জায়েয।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 কোনো সংগত কারণে ইমাম থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার বৈধতা

📄 কোনো সংগত কারণে ইমাম থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার বৈধতা


যদি কোনো সংগত কারণে ইমাম থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে তা জায়েয। যেমন, ইমামের নামায দীর্ঘায়িত হলে বা কোনো অসুস্থতার কারণে মুক্তাদি বিচ্ছিন্ন হতে পারে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে যখন কেউ নামাযে প্রবেশ করে, তখন সে যেন তা সংক্ষিপ্ত করে, কারণ তার পেছনে অসুস্থ ও দুর্বল লোক থাকে।" (বুখারি, মুসলিম)

তবে ইচ্ছাকৃতভাবে বা বিনা কারণে ইমাম থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া জায়েয নয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00