📄 যাদের ইমামতি বৈধ
সাধারণত প্রত্যেক পুরুষ মুসলমান, প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্ক এবং পবিত্র ব্যক্তি ইমামতি করতে পারে। তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ইমামতি জায়েয:
১. যে ব্যক্তি সুস্থ এবং নামাযের সকল শর্ত পূরণ করে।
২. যে ব্যক্তি নামাযের আহকাম সম্পর্কে জানে।
৩. যে ব্যক্তি জামাতে নামাযের জন্য যোগ্য।
ফাসিক (পাপাচারী) বা বিদয়াতি (নতুন প্রথা অনুসারী) ব্যক্তির ইমামতি মাকরূহ, তবে তাদের পেছনে নামায আদায় করা জায়েয।
📄 যাদের ইমামতি শুদ্ধ নয়
কিছু ব্যক্তির ইমামতি শুদ্ধ নয়:
১. কাফের বা মুশরিক: তাদের পেছনে নামায আদায় করা জায়েয নয়।
২. পাগল বা অপ্রাপ্তবয়স্ক: তাদের উপর নামায ফরয নয়, তাই তাদের ইমামতিও শুদ্ধ নয়।
৩. মাসবুক: যে ব্যক্তি নামাযের কিছু অংশ পায়নি, সে ইমামতি করতে পারে না।
৪. মহিলা: পুরুষদের জামাতে মহিলাদের ইমামতি জায়েয নয়।
৫. অসুস্থ ব্যক্তি: যদি তার অসুস্থতা এমন হয় যে সে নামাযের রুকনগুলো সঠিকভাবে আদায় করতে পারে না।
এদের পেছনে নামায আদায় করলে নামায বাতিল হয়ে যাবে।
📄 মহিলাদের জন্য মহিলার ইমামতি মুস্তাহাব
মহিলাদের জামাতে মহিলাদের ইমামতি করা জায়েয এবং মুস্তাহাব। এক্ষেত্রে মহিলা ইমাম পুরুষদের মতো সামনে না দাঁড়িয়ে কাতারের মাঝখানে দাঁড়াবে। উম্মে সালামা রা. এবং আয়েশা রা. মহিলাদের ইমামতি করতেন।
এটি মহিলাদের মধ্যে নামাযের প্রতি উৎসাহ বাড়ায় এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে।
📄 পুরুষ কর্তৃক শুধু মহিলাদের ইমামতি
পুরুষ কর্তৃক শুধু মহিলাদের ইমামতি করা জায়েয। এক্ষেত্রে পুরুষ ইমাম মহিলাদের সামনে দাঁড়াবে, তবে মহিলাদের জন্য পর্দার বিধান মেনে চলতে হবে। রসূলুল্লাহ সা. মহিলাদের জন্য আলাদা জামাতের ব্যবস্থা করতেন এবং তাদের ইমামতি পুরুষরাই করতেন।