📄 ইমামের অনুকরণ ওয়াজিব, তাকে অতিক্রম করা হারাম
জামাতে নামাযে ইমামের অনুকরণ করা ওয়াজিব। ইমামকে অতিক্রম করা হারাম। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "ইমামকে অনুসরণ করার জন্যই বানানো হয়েছে। যখন সে তাকবীর বলে, তখন তোমরাও তাকবীর বলো; যখন সে রুকু করে, তখন তোমরাও রুকু করো; যখন সে সিজদা করে, তখন তোমরাও সিজদা করো।" (বুখারি, মুসলিম)
যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ইমামকে অতিক্রম করে, তাহলে তার নামায বাতিল হয়ে যাবে।
📄 ইমামের সাথে একজন যুক্ত হলেই জামাত হয়ে যাবে
জামাত গঠিত হওয়ার জন্য কমপক্ষে একজন ইমাম এবং একজন মুক্তাদি প্রয়োজন। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যদি তোমাদের দু'জন থাকে, তাহলে তোমাদের একজন ইমামতি করবে।" (বুখারি)
একজন পুরুষ মুক্তাদি থাকলে সে ইমামের ডান পাশে দাঁড়াবে। যদি একাধিক পুরুষ মুক্তাদি থাকে, তাহলে তারা ইমামের পেছনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে।
📄 ইমামের মুক্তাদিতে পরিণত হওয়ার বৈধতা
যদি কোনো ইমাম জামাতে নামায পড়ানোর সময় অন্য কারো মুক্তাদিতে পরিণত হতে চায়, তাহলে এটি জায়েয নয়। কারণ ইমামের ভূমিকা হলো নেতৃত্ব দেওয়া, মুক্তাদির নয়।
তবে যদি কোনো ইমাম নামাযের মাঝখানে অসুস্থ হয়ে যায় বা কোনো কারণে নামায ছেড়ে দেয়, তাহলে অন্য কেউ তার স্থানে ইমামতি করতে পারে এবং সে মুক্তাদিতে পরিণত হতে পারে।
📄 জামাতে আংশিক অংশগ্রহণ
যদি কেউ নামাযের মাঝখানে জামাতে যোগ দেয়, তাহলে সে আংশিক অংশগ্রহণকারী বা 'মাসবুক' নামে পরিচিত। সে ইমামের অনুসরণ করবে এবং ইমাম সালাম ফেরানোর পর তার ছুটে যাওয়া রাকাতগুলো আদায় করবে।
মাসবুক নামাযীর জন্য প্রতিটি রাকাতের শুরু থেকে সূরা ফাতিহা এবং অতিরিক্ত সূরা পড়তে হবে।