📄 মসজিদে শান্তভাবে গমন করা মুস্তাহাব
মসজিদে নামাযের জন্য শান্তভাবে এবং ধীরস্থিরভাবে গমন করা মুস্তাহাব। দৌড়ানো বা তাড়াহুড়ো করা মাকরূহ। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যখন তোমরা নামাযের জন্য আসবে, তখন শান্তভাবে এবং ধীরস্থিরভাবে আসবে।" (বুখারি, মুসলিম)
শান্তভাবে গমন করার মাধ্যমে নামাযের একাগ্রতা বজায় থাকে এবং আল্লাহর প্রতি বিনয় প্রকাশ পায়।
📄 নামাযকে সংক্ষিপ্ত করা ইমামের জন্য মুস্তাহাব
ইমামের জন্য নামাযকে সংক্ষিপ্ত করা মুস্তাহাব, যাতে নামাযীদের জন্য কষ্টকর না হয়। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যখন তোমাদের কেউ ইমামতি করে, তখন সে যেন নামায সংক্ষিপ্ত করে, কারণ তাদের মধ্যে ছোট, অসুস্থ এবং দুর্বল লোক থাকে।" (বুখারি, মুসলিম)
তবে সংক্ষিপ্ত করার অর্থ নামাযের রুকন ও ওয়াজিবগুলো ছেড়ে দেওয়া নয়, বরং কিরাত ও অন্যান্য যিকর সংক্ষিপ্ত করা।
📄 ইমাম কর্তৃক প্রথম রাকাতের দীর্ঘায়িত করা
ইমামের জন্য প্রথম রাকাত তুলনামূলকভাবে দীর্ঘায়িত করা মুস্তাহাব, যাতে যারা দেরিতে আসে, তারা জামাতে শরিক হতে পারে। রসূলুল্লাহ সা. প্রথম রাকাতে কিরাত লম্বা করতেন।
তবে এটিও নামাযীদের জন্য কষ্টকর হওয়া উচিত নয়।
📄 ইমামের অনুকরণ ওয়াজিব, তাকে অতিক্রম করা হারাম
জামাতে নামাযে ইমামের অনুকরণ করা ওয়াজিব। ইমামকে অতিক্রম করা হারাম। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "ইমামকে অনুসরণ করার জন্যই বানানো হয়েছে। যখন সে তাকবীর বলে, তখন তোমরাও তাকবীর বলো; যখন সে রুকু করে, তখন তোমরাও রুকু করো; যখন সে সিজদা করে, তখন তোমরাও সিজদা করো।" (বুখারি, মুসলিম)
যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ইমামকে অতিক্রম করে, তাহলে তার নামায বাতিল হয়ে যাবে।