📄 ইস্তিখারার নামায
ইস্তিখারার নামায হলো কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আল্লাহর কাছে পথনির্দেশ চেয়ে আদায় করা নামায। এটি দুই রাকাত নফল নামায, যার পর একটি নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করতে হয়। রসূলুল্লাহ সা. সাহাবিদেরকে সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইস্তিখারার নামায আদায় করতে শিখিয়েছেন।
ইস্তিখারার দোয়ায় আল্লাহর কাছে বলা হয় যে, তিনি যেন ভালোটি নির্ধারণ করে দেন এবং খারাপটি থেকে রক্ষা করেন।
📄 সালাতুত তাসবীহ
সালাতুত তাসবীহ একটি বিশেষ নফল নামায, যাতে অনেক বেশি তাসবীহ (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) পাঠ করা হয়। এই নামাযে মোট ৩০০ তাসবীহ পাঠ করা হয়। রসূলুল্লাহ সা. তার চাচা আব্বাস রা. কে এই নামায শিখিয়েছিলেন এবং এর অনেক ফযিলত বর্ণনা করেছেন।
এই নামাযের মাধ্যমে সকল গুনাহ মাফ হয়ে যায়।
📄 সালাতুল হাজত
সালাতুল হাজত হলো কোনো প্রয়োজন বা সমস্যার সমাধানের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া চেয়ে আদায় করা নফল নামায। এটি দুই রাকাত নফল নামায, যার পর আল্লাহর প্রশংসা এবং রসূলুল্লাহ সা. এর প্রতি দরূদ পাঠ করে নিজের প্রয়োজন আল্লাহর কাছে পেশ করতে হয়। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যার আল্লাহর কাছে বা কোনো মানুষের কাছে কোনো প্রয়োজন আছে, সে যেন ওযু করে এবং দুই রাকাত নামায আদায় করে, তারপর আল্লাহর প্রশংসা ও রসূলের উপর দরূদ পড়ে দোয়া করে।" (তিরমিযি, ইবনে মাজাহ)
এই নামাযের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর কাছে নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করে এবং তাঁর সাহায্য কামনা করে।
📄 সালাতুত তাওবা
সালাতুত তাওবা হলো কোনো গুনাহ করার পর আল্লাহর কাছে তওবা চেয়ে আদায় করা নফল নামায। এটি দুই রাকাত নফল নামায, যার পর আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও তওবা কামনা করতে হয়। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "কোনো বান্দা যদি গুনাহ করে, তারপর পবিত্র হয়ে দুই রাকাত নামায আদায় করে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, তাহলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।" (আবু দাউদ, তিরমিযি)
এই নামাযের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর কাছে অনুতপ্ত হয় এবং গুনাহ থেকে ফিরে আসে।