📄 নফল ও সুন্নত নামায বসে বসে পড়া বৈধ
নফল ও সুন্নাত নামায যদি কেউ বসে বসে আদায় করে, তাহলে তা জায়েয। তবে যদি কোনো ওজর না থাকে, তাহলে দাঁড়িয়ে আদায় করা উত্তম। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "বসে নামায আদায়ের সওয়াব দাঁড়িয়ে নামায আদায়ের সওয়াবের অর্ধেক।" (বুখারি, মুসলিম)
যদি কেউ অসুস্থতার কারণে দাঁড়িয়ে আদায় করতে না পারে, তাহলে তার জন্য বসে আদায় করা পূর্ণ সওয়াব পাবে।
📄 নফলের প্রকারভেদ
নফল নামায বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে:
১. রওয়াতীব সুন্নাত: ফরয নামাযের আগে বা পরে আদায় করা সুন্নাত নামায, যেমন যোহর, মাগরিব, এশার সুন্নাত।
২. গাইর রওয়াতীব সুন্নাত: যেসব নফল নামায ফরয নামাযের সাথে যুক্ত নয়, যেমন তাহাজ্জুদ, সালাতুদ্দোহা, সালাতুত তাসবীহ।
৩. কারণযুক্ত নফল নামায: যেমন তাহিয়্যাতুল মসজিদ (মসজিদে প্রবেশের নামায), সালাতুল হাজত (প্রয়োজনের নামায), ইস্তিখারার নামায।
📄 ফজরের সুন্নত
ফজরের ফরয নামাযের পূর্বে দুই রাকাত সুন্নত নামায আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং রসূলুল্লাহ সা. এটিকে কখনো ছাড়তেন না। এটি 'সুনানুল ফজর' নামে পরিচিত। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম।" (মুসলিম)
এই সুন্নত নামাযে সংক্ষিপ্ত কিরাত পড়া মুস্তাহাব।
📄 যোহরের সুন্নত
যোহরের ফরয নামাযের পূর্বে চার রাকাত এবং পরে দুই রাকাত সুন্নত নামায আদায় করা সুন্নাত। এই সুন্নত নামাযগুলো 'রওয়াতীব সুন্নাত' এর অন্তর্ভুক্ত। রসূলুল্লাহ সা. এই নামাযগুলো আদায় করতেন এবং এর অনেক ফযিলত বর্ণনা করেছেন।