📄 বিশ্রামের বৈঠক
প্রথম ও তৃতীয় রাকাতের সিজদার পর এবং পরবর্তী রাকাতের জন্য দাঁড়ানোর আগে অল্প সময়ের জন্য একটি ছোট বৈঠক করা মুস্তাহাব। এই বৈঠককে 'জালসাতুল ইস্তিরাহাত' বা বিশ্রামের বৈঠক বলা হয়। রসূলুল্লাহ সা. এই বৈঠক করতেন।
এই বৈঠকে কোনো যিকর বা দোয়া পাঠ করা হয় না, এটি শুধুমাত্র বিশ্রামের জন্য।
📄 তাশাহহুদের জন্য বসার পদ্ধতি
তাশাহহুদের জন্য বসার দুটি পদ্ধতি রয়েছে:
১. তাওয়াররুক: শেষ বৈঠকে বাম পা ডান পায়ের নিচে রেখে নিতম্ব জমিনে রেখে বসা। এটি শেষ তাশাহহুদের জন্য মুস্তাহাব।
২. ইফতারিশ: প্রথম তাশাহহুদের জন্য বাম পায়ের উপর বসা এবং ডান পা খাড়া করে রাখা।
রসূলুল্লাহ সা. এই দুটি পদ্ধতিই ব্যবহার করতেন।
📄 প্রথম তাশাহহুদ
দ্বিতীয় রাকাতের পর প্রথম তাশাহহুদ পাঠ করা ওয়াজিব। এই তাশাহহুদ পাঠ করার পর দরূদ শরীফ পাঠ করা সুন্নাত। যদি কেউ প্রথম তাশাহহুদ ভুলে যায়, তাহলে সাহু সিজদা (ভুল সিজদা) দিতে হয়।
প্রথম তাশাহহুদের দোয়া হলো: 'আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াস সালাওয়াতু ওয়াত তাইয়্যিবাতু, আসসালামু আলাইকা আইয়ুহান নাবিয়্যু ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু, আসসালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস সালিহীন, আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।'
📄 রসুল সা.-এর প্রতি সালাত পাঠ
তাশাহহুদ পাঠ করার পর রসূলুল্লাহ সা. এর প্রতি দরূদ শরীফ পাঠ করা সুন্নাত। এটি 'সালাতে ইব্রাহিমী' নামে পরিচিত। এই দরূদ পাঠের মাধ্যমে রসূলুল্লাহ সা. এর প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করা হয়।
দরূদ শরীফ হলো: 'আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা আলা ইব্রাহিমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহিম, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা বারাকতা আলা ইব্রাহিমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহিম, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ।'