📄 সাজদার অবস্থানকাল ও যিকর
সাজদাতে কমপক্ষে তিনবার 'সুবহানা রাব্বিয়াল আলা' (আমার সুমহান রব পবিত্র) বলা সুন্নাত। রসূলুল্লাহ সা. সাজদাতে এই যিকর পাঠ করতেন।
অন্যান্য যিকরও সাজদাতে পাঠ করা যেতে পারে, যেমন: 'সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা, আল্লাহুম্মাগফিরলী' (হে আল্লাহ, আমাদের রব, আপনি পবিত্র এবং আপনার প্রশংসা করছি, হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন)। সাজদাতে বেশি বেশি দোয়া করা মুস্তাহাব, কারণ এটি আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার একটি স্থান।
📄 দুই সাজদার মাঝে বৈঠক ও দোয়া
দুই সাজদার মাঝে অল্প সময়ের জন্য বসতে হয়। এই বৈঠককে 'জালসা' বলা হয়। এই বৈঠকে 'আল্লাহুম্মাগফিরলী, ওয়ারহামনী, ওয়াহদিনী, ওয়াজবুরনী, ওয়ারজুকনী, ওয়াআফিনি' (হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি রহম করুন, আমাকে হেদায়েত দিন, আমাকে শক্তি দিন, আমাকে রিযিক দিন, এবং আমাকে সুস্থ রাখুন) দোয়া পাঠ করা সুন্নাত।
এই বৈঠকে ধীরস্থিরতা (তুমআنينাহ) বজায় রাখা অপরিহার্য।
📄 বিশ্রামের বৈঠক
প্রথম ও তৃতীয় রাকাতের সিজদার পর এবং পরবর্তী রাকাতের জন্য দাঁড়ানোর আগে অল্প সময়ের জন্য একটি ছোট বৈঠক করা মুস্তাহাব। এই বৈঠককে 'জালসাতুল ইস্তিরাহাত' বা বিশ্রামের বৈঠক বলা হয়। রসূলুল্লাহ সা. এই বৈঠক করতেন।
এই বৈঠকে কোনো যিকর বা দোয়া পাঠ করা হয় না, এটি শুধুমাত্র বিশ্রামের জন্য।
📄 তাশাহহুদের জন্য বসার পদ্ধতি
তাশাহহুদের জন্য বসার দুটি পদ্ধতি রয়েছে:
১. তাওয়াররুক: শেষ বৈঠকে বাম পা ডান পায়ের নিচে রেখে নিতম্ব জমিনে রেখে বসা। এটি শেষ তাশাহহুদের জন্য মুস্তাহাব।
২. ইফতারিশ: প্রথম তাশাহহুদের জন্য বাম পায়ের উপর বসা এবং ডান পা খাড়া করে রাখা।
রসূলুল্লাহ সা. এই দুটি পদ্ধতিই ব্যবহার করতেন।