📄 রুকুতে উঠা ও সোজা হয়ে দাঁড়ানোর সময়ের যিকর
রুকু থেকে ওঠার সময় 'সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ' (আল্লাহ তার প্রশংসা শোনেন যে তার প্রশংসা করে) বলতে হয়। ইমাম এই যিকরটি উচ্চস্বরে বলবে এবং মুক্তাদিরা নীরবে বলবে। সোজা হয়ে দাঁড়ানোর পর 'রাব্বানা লাকাল হামদ' (হে আমাদের রব, সকল প্রশংসা আপনারই জন্য) বলতে হয়। এই যিকরটি ইমাম ও মুক্তাদি উভয়ই বলবে।
এই যিকর আল্লাহর প্রশংসা এবং শুকরিয়া প্রকাশ করে।
📄 সাজদায় অবনত হওয়া
রুকু থেকে ওঠার পর 'আল্লাহু আকবার' বলে সাজদায় অবনত হতে হয়। সাজদায় যাওয়ার সময় প্রথমে হাঁটু, তারপর হাত, তারপর নাক এবং কপাল জমিনে রাখতে হয়। এটি নামাযের একটি ফরয রুকন।
সাজদায় ধীরস্থিরতা (তুমআنينাহ) বজায় রাখা অপরিহার্য।
📄 সাজদার নিয়ম
সাজদার সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে, যা রসূলুল্লাহ সা. শিখিয়ে দিয়েছেন। সাজদাতে কপাল, নাক, দু'হাত, দু'হাঁটু এবং দু'পায়ের আঙ্গুলগুলো জমিনে রাখতে হয়। হাতগুলো কানের বরাবর বা কাঁধের বরাবর রাখতে হয় এবং কনুইগুলো শরীর থেকে দূরে রাখতে হয়। পেট ঊরু থেকে দূরে রাখতে হয় এবং পাগুলো সোজা করে রাখতে হয়, আঙ্গুলগুলো কিবলার দিকে ফেরানো থাকে।
সাজদাতে ধীরস্থিরতা (তুমআنينাহ) বজায় রাখা অপরিহার্য।
📄 সাজদার অবস্থানকাল ও যিকর
সাজদাতে কমপক্ষে তিনবার 'সুবহানা রাব্বিয়াল আলা' (আমার সুমহান রব পবিত্র) বলা সুন্নাত। রসূলুল্লাহ সা. সাজদাতে এই যিকর পাঠ করতেন।
অন্যান্য যিকরও সাজদাতে পাঠ করা যেতে পারে, যেমন: 'সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা, আল্লাহুম্মাগফিরলী' (হে আল্লাহ, আমাদের রব, আপনি পবিত্র এবং আপনার প্রশংসা করছি, হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন)। সাজদাতে বেশি বেশি দোয়া করা মুস্তাহাব, কারণ এটি আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার একটি স্থান।