📄 নামাযের মধ্যে প্রকাশ্যে ও গোপনে কিরাত পড়ার স্থানসমূহ
নামাযের মধ্যে কিরাত কিছু নামাযে প্রকাশ্যে (জাহরী) এবং কিছু নামাযে গোপনে (সিররী) পাঠ করা হয়।
১. প্রকাশ্যে কিরাত: ফজর, মাগরিব এবং এশার ফরয নামাযের প্রথম দুই রাকাতে প্রকাশ্যে কিরাত পড়া হয়। জুমার নামায এবং দুই ঈদের নামাযেও প্রকাশ্যে কিরাত পড়া হয়।
২. গোপনে কিরাত: যোহর, আসর এবং ফরয নামাযের শেষ রাকাতে (যদি একাকী নামায আদায় করা হয়) গোপনে কিরাত পড়া হয়। সকল নফল নামায এবং সুন্নাত নামাযেও গোপনে কিরাত পড়া হয়।
প্রকাশ্যে কিরাত পড়ার সময় ইমামের কণ্ঠস্বর উচ্চ হওয়া উচিত, যাতে মুক্তাদিরা শুনতে পায়।
📄 ইমামের পেছনে কিরাত পড়া
ইমামের পেছনে মুক্তাদিদের জন্য কিরাত পড়া জায়েয কিনা, তা নিয়ে ফকীহগণের মধ্যে মতভেদ রয়েছে:
১. ইমাম আবু হানিফা: মুক্তাদিদের জন্য ইমামের পেছনে কিরাত পড়া জায়েয নয়, এমনকি সূরা ফাতিহাও নয়। কারণ ইমামের কিরাত মুক্তাদিদের জন্য যথেষ্ট।
২. ইমাম শাফেয়ী: মুক্তাদিদের জন্য ইমামের পেছনে সূরা ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব।
৩. ইমাম মালেক: মুক্তাদিদের জন্য ইমামের পেছনে কিরাত পড়া মাকরূহ।
৪. ইমাম আহমদ: মুক্তাদিদের জন্য ইমামের পেছনে সূরা ফাতিহা পাঠ করা মুস্তাহাব।
তবে সকল আলেম একমত যে, ইমামের কিরাত যদি মুক্তাদিরা শুনতে পায়, তাহলে তাদের জন্য নীরবে থাকা উত্তম।