📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 ফজরে প্রথম রাকাত লম্বা করে পড়া

📄 ফজরে প্রথম রাকাত লম্বা করে পড়া


ফজরের নামাযের প্রথম রাকাত তুলনামূলকভাবে লম্বা করে পড়া মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সা. ফজরের নামাযে লম্বা কিরাত পাঠ করতেন। এর উদ্দেশ্য হলো নামাযীদেরকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া এবং আল্লাহর কিতাবের গভীর অর্থ উপলব্ধি করার সুযোগ দেওয়া।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 রসুলুল্লাহ সা.-এর কিরাতের পদ্ধতি

📄 রসুলুল্লাহ সা.-এর কিরাতের পদ্ধতি


রসূলুল্লাহ সা. কিরাত পাঠ করার সময় ধীরস্থিরভাবে এবং তারতীল (তাজবীদের নিয়ম অনুযায়ী) বজায় রেখে পাঠ করতেন। তিনি প্রতিটি আয়াতকে আলাদাভাবে পড়তেন এবং তার অর্থ উপলব্ধি করার চেষ্টা করতেন। তিনি কিরাতকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করতেন এবং মানুষের হৃদয়ে তার প্রভাব ফেলার চেষ্টা করতেন।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 কিরাতের মুস্তাহাব

📄 কিরাতের মুস্তাহাব


কিরাতের কিছু মুস্তাহাব দিক রয়েছে:

১. তাজবীদ অনুযায়ী কিরাত পাঠ করা: তাজবীদের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উচ্চারণ ও মাখরাজ বজায় রাখা।
২. সুন্দর কণ্ঠে কিরাত পাঠ করা: কণ্ঠস্বর সুন্দর ও আকর্ষণীয় হওয়া উচিত, তবে তা রিয়াকারী (লোক দেখানো) উদ্দেশ্যে নয়।
৩. নামাযীদের অবস্থার প্রতি খেয়াল রাখা: ইমামের জন্য নামাযীদের অবস্থার প্রতি খেয়াল রেখে কিরাত পাঠ করা, যাতে তা তাদের জন্য কষ্টকর না হয়।
৪. ধীরস্থিরভাবে পাঠ করা: কিরাত তাড়াহুড়ো না করে ধীরস্থিরভাবে পাঠ করা।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 নামাযের মধ্যে প্রকাশ্যে ও গোপনে কিরাত পড়ার স্থানসমূহ

📄 নামাযের মধ্যে প্রকাশ্যে ও গোপনে কিরাত পড়ার স্থানসমূহ


নামাযের মধ্যে কিরাত কিছু নামাযে প্রকাশ্যে (জাহরী) এবং কিছু নামাযে গোপনে (সিররী) পাঠ করা হয়।

১. প্রকাশ্যে কিরাত: ফজর, মাগরিব এবং এশার ফরয নামাযের প্রথম দুই রাকাতে প্রকাশ্যে কিরাত পড়া হয়। জুমার নামায এবং দুই ঈদের নামাযেও প্রকাশ্যে কিরাত পড়া হয়।
২. গোপনে কিরাত: যোহর, আসর এবং ফরয নামাযের শেষ রাকাতে (যদি একাকী নামায আদায় করা হয়) গোপনে কিরাত পড়া হয়। সকল নফল নামায এবং সুন্নাত নামাযেও গোপনে কিরাত পড়া হয়।

প্রকাশ্যে কিরাত পড়ার সময় ইমামের কণ্ঠস্বর উচ্চ হওয়া উচিত, যাতে মুক্তাদিরা শুনতে পায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00