📄 আসরের নামাযের কিরাত
আসরের নামাযে যোহরের চেয়ে সংক্ষিপ্ত কিরাত পড়া মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সা. আসরের নামাযে সূরা আত-তারিক বা সূরা আল-বুরুজের মতো সংক্ষিপ্ত সূরা পাঠ করতেন। (মুসলিম)
এই কিরাত সংক্ষিপ্ত হলেও নামাযের একাগ্রতা বজায় রাখা উচিত।
📄 মাগরিবের কিরাত
মাগরিবের নামাযে সাধারণত সংক্ষিপ্ত কিরাত পড়া মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সা. মাগরিবের নামাযে সূরা আশ-শামস বা সূরা আল-ইখলাসের মতো ছোট সূরা পাঠ করতেন। (বুখারি, মুসলিম)
তবে কখনো কখনো তিনি লম্বা কিরাতও পাঠ করতেন, যেমন সূরা আত-তূর। (বুখারি, মুসলিম) এটি পরিস্থিতি এবং নামাযীদের অবস্থার উপর নির্ভর করে।
📄 এশার কিরাত
এশার নামাযে মাঝারি বা লম্বা কিরাত পড়া মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সা. এশার নামাযে সূরা আশ-শামস বা সূরা আল-বুরুজের মতো সূরা পাঠ করতেন। (মুসলিম)
এশার নামায রাতের শেষ ভাগে হওয়ার কারণে কিরাত কিছুটা লম্বা হতে পারে, তবে তা নামাযীদের জন্য কষ্টকর হওয়া উচিত নয়।
📄 জুমার কিরাত
জুমার নামাযে ইমামের জন্য সূরা আল-জুমু'আহ এবং সূরা আল-মুনাফিকূন অথবা সূরা আল-আ'লা এবং সূরা আল-গাশিয়াহ পাঠ করা সুন্নাত। (মুসলিম)
এই সূরাগুলো পাঠ করার মাধ্যমে জুমার নামাযের বিশেষ গুরুত্ব প্রকাশ পায়।