📄 তাকবীরে তাহরীমা
তাকবীরে তাহরীমা হলো নামায শুরু করার প্রথম তাকবীর 'আল্লাহু আকবার'। এটি নামাযের একটি ফরয রুকন। তাকবীরে তাহরীমা বলার মাধ্যমে নামায শুরু হয় এবং নামাযের বাইরে সকল কাজ হারাম হয়ে যায়। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "নামাযের চাবি হলো পবিত্রতা, তার শুরু হলো তাকবীরে তাহরীমা এবং তার শেষ হলো সালাম।" (আবু দাউদ, তিরমিযি)
তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় হাত কান পর্যন্ত উঠানো মুস্তাহাব।
📄 কিয়াম (দাঁড়ানো)
কিয়াম বা নামাযে সোজা হয়ে দাঁড়ানো ফরয নামাযের একটি অপরিহার্য রুকন, যদি শারীরিক সামর্থ্য থাকে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "দাঁড়িয়ে নামায আদায় করো, যদি না পারো তাহলে বসে, যদি না পারো তাহলে শুয়ে।" (বুখারি)
যদি কেউ অসুস্থতার কারণে দাঁড়াতে না পারে, তাহলে সে বসে নামায আদায় করবে। যদি বসেও না পারে, তাহলে শুয়ে ইশারা করে নামায আদায় করবে।
📄 নফল ও ফরযের প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ
নফল ও ফরয নামাযের প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা ফরয। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যে ব্যক্তি নামাযে সূরা ফাতিহা পাঠ করে না, তার নামায হয় না।" (বুখারি, মুসলিম)
সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর ফরয নামাযের প্রথম দুই রাকাতে এবং নফল নামাযের প্রত্যেক রাকাতে অতিরিক্ত সূরা বা কুরআনের অংশ পাঠ করা মুস্তাহাব।
📄 রুকু করা
রুকু করা নামাযের একটি ফরয রুকন। রুকুতে পিঠ সোজা করে মাথা নত করতে হয়, যাতে হাত হাঁটুতে পৌঁছায়। রুকুতে 'সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম' (আমার মহান রব পবিত্র) কমপক্ষে তিনবার বলতে হয়।
রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "নামায ততক্ষণ পর্যন্ত সম্পূর্ণ হবে না, যতক্ষণ না রুকুতে পিঠ সোজা করে দাঁড়াবে।" (বুখারি, মুসলিম)