📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 কাযা নামাযের জন্য আযান ও ইকামত

📄 কাযা নামাযের জন্য আযান ও ইকামত


যদি কোনো ওয়াক্তের নামায কাযা হয়ে যায়, তাহলে তা আদায় করার জন্য আযান ও ইকামত উভয়ই দিতে হবে। রসূলুল্লাহ সা. খন্দকের যুদ্ধের দিন কাযা নামাযের জন্য আযান ও ইকামত উভয়ই দিয়েছিলেন। (বুখারি, মুসলিম)

যদি একাধিক কাযা নামায একসাথে আদায় করা হয়, তাহলে প্রথম নামাযের জন্য আযান ও ইকামত দিতে হবে এবং পরবর্তী নামাযগুলোর জন্য শুধু ইকামত দিলেই চলবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 মহিলাদের আযান ও ইকামত

📄 মহিলাদের আযান ও ইকামত


মহিলাদের জন্য আযান ও ইকামত দেওয়া জায়েয নয়। কারণ আযান ও ইকামতের জন্য উচ্চস্বরে পুরুষদেরকে আহ্বান করা হয়, যা মহিলাদের জন্য শোভনীয় নয়। মহিলাদের নামাযের জন্য শুধু নীরবে ইকামতের শব্দগুলো বলাই যথেষ্ট।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 জামাতে নামায অনুষ্ঠিত হওয়ার পর মসজিদে প্রবেশ করা

📄 জামাতে নামায অনুষ্ঠিত হওয়ার পর মসজিদে প্রবেশ করা


যদি কেউ মসজিদে প্রবেশ করে এবং দেখে যে জামাতে নামায অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে, তাহলে সে জামাতে যোগ দেবে। যদি ইমামকে রুকুতে পায়, তাহলে রুকুতে যোগ দেবে এবং সেটা এক রাকাত গণ্য হবে। যদি ইমামকে রুকুতে না পায়, তাহলে পরবর্তী রাকাত থেকে যোগ দেবে।

যদি জামাত শেষ হয়ে যায়, তাহলে সে একা নামায আদায় করবে অথবা অন্য কোনো মুসলিমের সাথে জামাত করে নামায আদায় করবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 ইকামত ও নামাযের মাঝে ব্যবধান

📄 ইকামত ও নামাযের মাঝে ব্যবধান


ইকামত এবং নামায শুরু করার মাঝে বেশি ব্যবধান রাখা উচিত নয়। ইকামত দেওয়ার পরপরই নামায শুরু করা মুস্তাহাব, যাতে নামাযীরা বেশি সময় অপেক্ষা না করে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "ইকামত দেওয়ার পর নামায শুরু করতে দেরি করো না।" (তিরমিযি)

তবে যদি কোনো জরুরি প্রয়োজন থাকে, তাহলে কিছুটা ব্যবধান রাখা যেতে পারে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00