📄 যিনি আযান দেন, তিনিই ইকামত দিবেন
মুস্তাহাব হলো, যিনি আযান দেন, তিনিই ইকামত দেন। রসূলুল্লাহ সা. এর যুগে বিলাল রা. আযান ও ইকামত উভয়ই দিতেন। এটি ধারাবাহিকতা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
📄 মুআযযিন কখন দাঁড়াবে?
মুয়াজ্জিন আযানের জন্য কোনো উঁচু স্থানে দাঁড়াবে, যাতে আযানের শব্দ দূর পর্যন্ত পৌঁছায়। রসূলুল্লাহ সা. এর যুগে বিলাল রা. মসজিদে নববীর ছাদের উপর উঠে আযান দিতেন। ইকামত দেওয়ার সময় মুয়াজ্জিন ইমামের পেছনে দাঁড়াবে এবং কাতার সোজা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবে।
📄 আযান হয়ে যাওয়ার পর মসজিদ থেকে বের হওয়া
আযান হয়ে যাওয়ার পর ফরয নামায আদায়ের পূর্বে মসজিদ থেকে বের হওয়া মাকরূহ, যদি না কোনো জরুরি প্রয়োজন থাকে। কারণ আযানের উদ্দেশ্য হলো জামাতে নামায আদায় করা। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যখন আযান দেওয়া হয়, তখন মসজিদ থেকে বের হয় না, যদি না কোনো প্রয়োজন থাকে।" (তিরমিযি)
যদি কেউ আযানের পর মসজিদ থেকে বের হয় এবং তার কোনো প্রয়োজন না থাকে, তাহলে সে যেন জামাতের সওয়াব থেকে বঞ্চিত না হয়।
📄 কাযা নামাযের জন্য আযান ও ইকামত
যদি কোনো ওয়াক্তের নামায কাযা হয়ে যায়, তাহলে তা আদায় করার জন্য আযান ও ইকামত উভয়ই দিতে হবে। রসূলুল্লাহ সা. খন্দকের যুদ্ধের দিন কাযা নামাযের জন্য আযান ও ইকামত উভয়ই দিয়েছিলেন। (বুখারি, মুসলিম)
যদি একাধিক কাযা নামায একসাথে আদায় করা হয়, তাহলে প্রথম নামাযের জন্য আযান ও ইকামত দিতে হবে এবং পরবর্তী নামাযগুলোর জন্য শুধু ইকামত দিলেই চলবে।