📄 প্রথম ওয়াক্তে এক ওয়াক্তের পূর্বে আযান দেয়া
প্রত্যেক নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পরই আযান দেওয়া মুস্তাহাব। ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পূর্বে আযান দেওয়া জায়েয নয়, কারণ আযানের উদ্দেশ্য হলো নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার ঘোষণা দেওয়া। যদি ওয়াক্তের পূর্বে আযান দেওয়া হয়, তাহলে তা বাতিল গণ্য হবে এবং ওয়াক্ত হওয়ার পর পুনরায় আযান দিতে হবে।
তবে ফজরের আযান ওয়াক্তের পূর্বে দেওয়া জায়েয, যাতে মানুষ সেহরি খেতে পারে এবং নামাযের জন্য প্রস্তুত হতে পারে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "বিলাল রাতের আঁধারে আযান দেয়, তাই তোমরা পানাহার করো, যতক্ষণ না ইবনে উম্মে মাকতুম আযান দেয়।" (বুখারি, মুসলিম)
📄 আযান ও ইকামতের মাঝে ব্যবধান থাকা
আযান ও ইকামতের মাঝে যথেষ্ট ব্যবধান থাকা মুstahab, যাতে মানুষ নামাযের জন্য প্রস্তুত হতে পারে এবং মসজিদে আসতে পারে। এই ব্যবধানের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, তবে তা পরিবেশ ও পরিস্থিতি অনুযায়ী হওয়া উচিত। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "আযান ও ইকামতের মাঝে ততটুকু সময় দাও, যাতে নামাযীরা তাদের প্রয়োজন সেরে নিতে পারে।" (তিরমিযি)
📄 যিনি আযান দেন, তিনিই ইকামত দিবেন
মুস্তাহাব হলো, যিনি আযান দেন, তিনিই ইকামত দেন। রসূলুল্লাহ সা. এর যুগে বিলাল রা. আযান ও ইকামত উভয়ই দিতেন। এটি ধারাবাহিকতা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
📄 মুআযযিন কখন দাঁড়াবে?
মুয়াজ্জিন আযানের জন্য কোনো উঁচু স্থানে দাঁড়াবে, যাতে আযানের শব্দ দূর পর্যন্ত পৌঁছায়। রসূলুল্লাহ সা. এর যুগে বিলাল রা. মসজিদে নববীর ছাদের উপর উঠে আযান দিতেন। ইকামত দেওয়ার সময় মুয়াজ্জিন ইমামের পেছনে দাঁড়াবে এবং কাতার সোজা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবে।