📄 মাগরিব নামাযের ওয়াক্ত
মাগরিব নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয় সূর্যাস্তের পর যখন সূর্যের লাল আভা (শফক্ব) পশ্চিম দিগন্ত থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। এর ওয়াক্ত এশার ওয়াক্ত শুরু না হওয়া পর্যন্ত থাকে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "মাগরিব নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয় যখন সূর্য ডুবে যায় এবং তা চলতে থাকে শফক্ব (লাল আভা) অদৃশ্য হওয়া পর্যন্ত।" (মুসলিম)
মাগরিবের ওয়াক্ত তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত, তাই তাড়াতাড়ি নামায আদায় করা উত্তম।
📄 এশার নামাযের ওয়াক্ত
এশার নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয় যখন পশ্চিম দিগন্তের লাল আভা (শফক্ব) সম্পূর্ণরূপে অদৃশ্য হয়ে যায় এবং চলতে থাকে মধ্যরাত পর্যন্ত। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "এশার নামাযের ওয়াক্ত মধ্যরাত পর্যন্ত।" (মুসলিম)
তবে রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নামায আদায় করা উত্তম, যদি তাতে ঘুমিয়ে পড়ার আশঙ্কা না থাকে।
📄 ফজর নামাযের ওয়াক্ত
ফজর নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয় যখন সুবহে সাদিক (ভোরের প্রথম সাদা আলো) পূর্ব দিগন্তে প্রকাশ পায় এবং চলতে থাকে সূর্যোদয় পর্যন্ত। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "ফজর নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয় যখন সুবহে সাদিক প্রকাশ পায় এবং তা চলতে থাকে সূর্যোদয় পর্যন্ত।" (মুসলিম)
ফজর নামাযের ওয়াক্তে নামায আদায় করা অত্যন্ত ফযিলতপূর্ণ।
📄 নামাযের সময় ঘুমে থাকলে বা ভুলে গেলে
যদি কেউ নামাযের ওয়াক্তে ঘুমে থাকে বা নামাযের কথা ভুলে যায়, তাহলে যখন তার ঘুম ভাঙবে বা যখন তার নামাযের কথা মনে পড়বে, তখনই সে নামায আদায় করবে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যদি তোমাদের কেউ নামাযের কথা ভুলে যায় অথবা ঘুমিয়ে পড়ে, তাহলে যখন তার মনে পড়বে বা যখন তার ঘুম ভাঙবে, তখনই সে নামায আদায় করবে।" (বুখারি, মুসলিম)
এটি একটি বিশেষ বিধান, যা মানুষের প্রাকৃতিক দুর্বলতার কারণে ক্ষমা করা হয়েছে। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে নামাযের ওয়াক্ত পার করা জায়েয নয়।