📄 শিশুর নামায
শিশুর উপর নামায ফরয না হলেও তাকে নামাযের অভ্যাস করানো মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "তোমাদের সন্তানদেরকে সাত বছর বয়সে নামাযের আদেশ দাও, দশ বছর বয়সে (যদি আদায় না করে) তাহলে মারো এবং তাদের বিছানা আলাদা করে দাও।" (আবু দাউদ)
এই হাদিস শিশুদেরকে ছোটবেলা থেকেই নামাযের প্রতি আগ্রহী করার গুরুত্ব বোঝায়। এটি তাদের নৈতিক ও আত্মিক বিকাশে সাহায্য করে।
📄 ফরয নামায কয় ওয়াক্ত
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামায রয়েছে: ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব এবং এশা। এই পাঁচ ওয়াক্ত নামায প্রতিটি মুসলিমের উপর ফরয করা হয়েছে।
📄 নামাযের নিয়ম
নামাযের একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে, যা রসূলুল্লাহ সা. শিখিয়ে দিয়েছেন। প্রতিটি নামায তাকবীরে তাহরীমা দিয়ে শুরু হয়, তারপর কিয়াম, রুকু, সিজদা এবং তাশাহহুদ ও সালামের মাধ্যমে শেষ হয়।
নামাযের প্রতিটি অংশে সুনির্দিষ্ট যিকর ও দোয়া রয়েছে, যা সঠিকভাবে আদায় করতে হবে। নামাযের প্রতিটি রুকন (অংশ) সঠিকভাবে আদায় করা অপরিহার্য।
📄 বিতির নামায
বিতির নামায এশার নামাযের পর থেকে ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত আদায় করা যায়। এটি এক রাকাত, তিন রাকাত, পাঁচ রাকাত বা তারও বেশি সংখ্যক রাকাত হতে পারে। রসূলুল্লাহ সা. বিতির নামায আদায় করতেন এবং এটিকে ওয়াজিব বা সুন্নাতুল মুয়াক্কাদা মনে করা হয়।
বিতির নামাযের শেষ রাকাতে রুকুর পূর্বে বা রুকুর পরে 'কুনুতে বিতির' (বিশেষ দোয়া) পাঠ করা মুস্তাহাব।