📄 নামায কার উপর ফরয
নামায প্রত্যেক মুসলমান, প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্ক এবং পবিত্র ব্যক্তির উপর ফরয।
১. মুসলমান: অমুসলিমের উপর নামায ফরয নয়। তবে ইসলাম গ্রহণ করলে তার উপর নামায ফরয হবে।
২. প্রাপ্তবয়স্ক: শিশুর উপর নামায ফরয নয়, তবে তাকে নামাযের অভ্যাস করানো মুস্তাহাব।
৩. সুস্থ মস্তিষ্ক: পাগলের উপর নামায ফরয নয়।
৪. পবিত্র: নামাযের জন্য পবিত্রতা (ওজু, গোসল) অপরিহার্য।
📄 শিশুর নামায
শিশুর উপর নামায ফরয না হলেও তাকে নামাযের অভ্যাস করানো মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "তোমাদের সন্তানদেরকে সাত বছর বয়সে নামাযের আদেশ দাও, দশ বছর বয়সে (যদি আদায় না করে) তাহলে মারো এবং তাদের বিছানা আলাদা করে দাও।" (আবু দাউদ)
এই হাদিস শিশুদেরকে ছোটবেলা থেকেই নামাযের প্রতি আগ্রহী করার গুরুত্ব বোঝায়। এটি তাদের নৈতিক ও আত্মিক বিকাশে সাহায্য করে।
📄 ফরয নামায কয় ওয়াক্ত
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামায রয়েছে: ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব এবং এশা। এই পাঁচ ওয়াক্ত নামায প্রতিটি মুসলিমের উপর ফরয করা হয়েছে।
📄 নামাযের নিয়ম
নামাযের একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে, যা রসূলুল্লাহ সা. শিখিয়ে দিয়েছেন। প্রতিটি নামায তাকবীরে তাহরীমা দিয়ে শুরু হয়, তারপর কিয়াম, রুকু, সিজদা এবং তাশাহহুদ ও সালামের মাধ্যমে শেষ হয়।
নামাযের প্রতিটি অংশে সুনির্দিষ্ট যিকর ও দোয়া রয়েছে, যা সঠিকভাবে আদায় করতে হবে। নামাযের প্রতিটি রুকন (অংশ) সঠিকভাবে আদায় করা অপরিহার্য।