📄 হায়েয যুক্ত
ঋতুস্রাবের কোনো সর্বোচ্চ বা সর্বনিম্ন মেয়াদ নেই। মেয়াদ নির্ধারণের কোনো প্রামাণ্য দলিল নেই। তবে কারো কোনো নির্দিষ্ট অভ্যাস থাকলে সে অনুযায়ী কাজ করা যাবে। উম্মে সালামা রা.-এর হাদিসে বলা হয়েছে: তিনি জনৈক মহিলা সম্পর্কে রসূল সা. কে জিজ্ঞাসা করেন, যার সব সময় রক্ত নির্গত হয়। রসূল সা. বললেন: সে যে কয়দিন ঋতুবতী থাকে, তা মাসের কয়দিন, সেটা যেনো সে লক্ষ্য করে। সেই কয়দিন সে নামায বাদ দেবে, তারপর গোসল করবে ও গুপ্তাংগে একটা ন্যাকড়া বাঁধবে। তারপর নামায পড়বে। -তিরমিমি ব্যতিত অবশিষ্ট পাচঁটি হাদিস গ্রন্থ।
আর যদি কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম না থাকে, তবে রক্তের লক্ষণাদি দ্বারা তার আদি অন্ত নির্ধারণ করা হবে। ইতিপূর্বে ফাতেমা বিনতে আবি হুবাইশের হাদিস এর প্রমাণ। ঐ হাদিসে রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: “হায়েযের রক্ত হলে তা হবে সুপরিচিত কালো বর্ণের।” এ হাদিস থেকে প্রমাণিত হয়, হায়েয বা ঋতুস্রাবের রক্ত অন্য রক্ত থেকে ভিন্ন এবং মহিলাদের নিকট তা পরিচিত।
📄 দুই হায়েযের মাঝে পবিত্রস্থার মেয়াদ
আলেমগণ এ ব্যাপারে একমত, দুই ঋতুস্রাবের মধ্যবর্তী পবিত্রাবস্থার সুনির্দিষ্ট সীমা নেই। এর সর্বনিম্ন মেয়াদ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ অনুমান করেছেন পনের দিন। কারো কারো মতে তেরো দিন। প্রকৃত ব্যাপার হলো, সর্বনিম্ন মেয়াদ নির্ধারণের জন্য কোনো অকাট্য দলিল নেই, যা দ্বারা প্রমাণ দর্শানো যায়।