📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 বৈপিত্রেয় ভাইদের বিভিন্ন অবস্থা

📄 বৈপিত্রেয় ভাইদের বিভিন্ন অবস্থা


আল্লাহ্ বলেন: فَإِنْ كَانُوا أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ فَهُمْ شُرَكَاءُ فِي الثُّلُثِ ۖ وَإِنْ كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلَلَةً أَوِ امْرَأَةٌ وَلَهُ أَخٌ أَوْ أُخْتٌ فَلِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا السُّدُسُ ۚ
'যদি পিতামাতা ও সন্তানহীন কোনো পুরুষ অথবা নারির উত্তরাধিকারী থাকে তার এক বৈপিত্রেয় ভাই অথবা ভগ্নী, তবে প্রত্যেকের জন্য এক ষষ্ঠাংশ। তারা এর চেয়ে অধিক হলে সকলে সমঅংশীদার হবে এক তৃতীয়াংশে।' (সূরা নিসা, আয়াত ১২)।
আয়াতে উল্লিখিত 'কালালা' অর্থ যার পিতা ও সন্তান নেই। আর ভাই ও বোন অর্থ বৈপিত্রেয় ভাই ও বোন। আয়াতটি থেকে জানা যায়, এদের তিনটি অবস্থা:
১. এক ব্যক্তির জন্য একষষ্ঠাংশ, চাই পুরুষ হোক বা নারী।
২. দুই বা ততোধিক ব্যক্তির জন্যে এক তৃতীয়াংশ এবং এতে পুরুষ ও স্ত্রী সমান।
৩. উত্তরাধিকারী সন্তান যথা সন্তান বা ছেলের সন্তান থাকলে অথবা পিতা বা দাদা থাকলে এই ভাই-বোনেরা কোনো উত্তরাধিকার পাবেনা। তবে মা ও দাদি থাকলে পাবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 স্বামীর বিভিন্ন অবস্থা

📄 স্বামীর বিভিন্ন অবস্থা


আল্লাহ্ বলেন: وَلَكُمْ نِصْفُ مَا تَرَكَ أَزْوَاجُكُمْ إِن لم يَكُن لَمَنْ وَلَنْ جَ فَإِنْ كَانَ لَهُنَّ وَلَدٌ فَلَكُمُ الرَّبُعُ مِمَّا تَرَكْنَ 'তোমাদের স্ত্রীদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধাংশ তোমাদের জন্য যদি তাদের কোনো সন্তান না থাকে। আর তাদের সন্তান থাকলে তোমাদের জন্য তাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির এক চতুর্থাংশ।' (সূরা নিসা, ১২)। এ আয়াতে বলা হলো, স্বামীর দুটো অবস্থা:
প্রথম অবস্থা: উত্তরাধিকারী সন্তান না থাকলে সে অর্ধেক সম্পত্তি পাবে। এই সন্তান উক্ত স্বামীর ঔরসজাত হোক বা অন্য স্বামীর ঔরসজাত হোক, তাতে কিছু যায় আসে না। সন্তান দ্বারা ছেলে মেয়ে ও ছেলের মেয়ে বুঝায়।
দ্বিতীয় অবস্থা: উত্তরাধিকারী সন্তান থাকলে স্বামী এক চতুর্থাংশ সম্পত্তি পাবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 স্ত্রীর অবস্থা

📄 স্ত্রীর অবস্থা


আল্লাহ্ বলেন: ولَهُنَّ الرَّبعُ مِمَّا تَرَكْتُمْ إِن لَّمْ يَكُن لَّكُمْ وَلَدْ ج فَإِنْ كَانَ لَكُمْ وَلَنْ فَلَهُنَّ الثَّمَنُ مِمَّا تَرَكْتُمْ . 'তোমাদের সন্তান না থাকলে তোমাদের স্ত্রীদের জন্য তোমাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির এক চতুর্থাংশ, আর তোমাদের সন্তান থাকলে তাদের জন্য তোমাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির এক অষ্টমাংশ।' (সূরা নিসা, ১২) এ আয়াত থেকে জানা গেল স্ত্রীর দু'টি অবস্থা:
প্রথম অবস্থা: স্বামীর উত্তরাধিকারী সন্তান না থাকলে সে এক চতুর্থাংশ পাবে। চাই এ সন্তান তার উদরজাত হোক বা অন্য কারো উদরজাত।
দ্বিতীয় অবস্থা: স্বামীর উত্তরাধিকারী সন্তান থাকলে স্ত্রী এক অষ্টমাংশ পাবে। একাধিক স্ত্রী থাকলে তারা প্রথম অবস্থায় এক চতুর্থাংশ ও দ্বিতীয় অবস্থায় এক অষ্টমাংশ নিজেদের মধ্যে বণ্টন করে নেবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী

📄 তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী


রজয়ী (প্রত্যাহারযোগ্য) তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর স্বামী স্ত্রীর ইদ্দত সমাপনের আগে মারা গেলে সে স্বামীর উত্তরাধিকার পাবে। হাম্বলি ফকিহগণের মতে, যে স্ত্রীকে সহবাস ও নির্জন সাক্ষাতের পূর্বে তালাক দেয়া হয়েছে, তার স্বামী যদি মৃত্যু প্রাক্কালীন রোগাবস্থায় তালাক দিয়ে ঐ রোগাবস্থায়ই মারা যায়, তবে স্ত্রী অন্য স্বামীকে বিয়ে না করা পর্যন্ত উত্তরাধিকার পাবে। তবে তাকে মৃত্যুজনিত ইদ্দত পালন করতে হবে।
আধুনিক আইন মৃত্যু প্রাক্কালীন রোগাবস্থায় বায়েন তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে স্ত্রী গণ্য করে, যদি স্ত্রী ঐ তালাকে অসম্মত থাকে এবং তার ইদ্দত পালনরত অবস্থায় একই রোগে স্বামী মারা যায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00