📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 নিষেধাজ্ঞা আরোপিত ব্যক্তিকে সম্পত্তি অর্পণে শাসকে আদেশ অপরিহার্য

📄 নিষেধাজ্ঞা আরোপিত ব্যক্তিকে সম্পত্তি অর্পণে শাসকে আদেশ অপরিহার্য


কিছু সংখ্যক ফকিহের মতানুসারে নিষেধাজ্ঞা আরোপিত ব্যক্তির নিকট তার সম্পত্তি অর্পণের জন্যে শাসকের নিকট থেকে আদেশ লাভ করা ও শাসকের নিকট তার ভালমন্দ বিচারের জ্ঞান লাভ প্রমাণিত হওয়া শর্ত। আবার কতক ফকিহের মতে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্ত ব্যক্তির অভিভাবকের দৃষ্টিতে ভালমন্দ বিচারের জ্ঞান লাভ করেছে বলে প্রমাণিত হওয়া যথেষ্ট।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 অপ্রাপ্ত বয়স্ক, নির্বোধ ও পাগলের অভিভাবক বা ওহি হবে কে?

📄 অপ্রাপ্ত বয়স্ক, নির্বোধ ও পাগলের অভিভাবক বা ওহি হবে কে?


অপ্রাপ্তবয়স্ক, নির্বোধ ও পাগলের অভিভাবক তাদের পিতা। পিতা না থাকলে তার আত্মীয় স্বজন বা শাসক কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক। কেননা সে-ই তার প্রতিনিধি। নিযুক্ত প্রতিনিধি না থাকলে তার অভিভাবক হবে শাসক। শাসক বা আত্মীয়দের দ্বারা নিযুক্ত না হলে দাদা, মা ও পিতৃপক্ষীয় অন্যান্য আত্মীয় তার অভিভাবক হতে পারবেনা। আমাদের যুগে প্রথমোক্ত মতটি অনুসরণ শ্রেয়।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 হিজর আরোপিত ব্যক্তির অভিভাবক বা ওহি হওয়ার শর্তাবলী

📄 হিজর আরোপিত ব্যক্তির অভিভাবক বা ওহি হওয়ার শর্তাবলী


ওছি হচ্ছে সেই ব্যক্তি, যিনি হিজর আরোপিত ব্যক্তির তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব লাভ করেন, চাই এই দায়িত্ব আত্মীয়-স্বজনের পক্ষ থেকে দেয়া হোক বা শাসকের পক্ষ থেকে। ওছি নারী হোক বা পুরুষ, দীনদারী, সততা ও বিজ্ঞতায় তার প্রসিদ্ধ হওয়া জরুরি। উমর (রা) হাস্সা (রা) কে ওছি নিযুক্ত করেছিলেন। ওছির দায়িত্ব হলো ইয়াতিমের ধন সম্পদ বা হিজর আরোপিত ব্যক্তির ধন সম্পদ এমনভাবে ব্যবহার করবে যাতে তা বৃদ্ধি পায়। ইমাম মালেকের মতে ওছি বা পিতা স্বজনপ্রীতির মনোভাব এড়িয়ে ইয়াতিমের সম্পত্তি থেকে কিছু কিনতে বা তার সম্পদের বিনিময়ে নিজেদের সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 দুর্বৃত্ত থাকা অভিভাবক হওয়ার পরিহার করা উচিত

📄 দুর্বৃত্ত থাকা অভিভাবক হওয়ার পরিহার করা উচিত


আবু যর (রা) সূত্রে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ্ (সা) বলেন: হে আবু যর! আমি তোমাকে দুর্বল মনে করি। তাই আমি নিজের জন্যে যা পছন্দ করি, তোমার জন্যেও তা পছন্দ করি। তুমি কখনো দুই ব্যক্তির আমীর হবে না এবং ইয়াতীমের সম্পত্তির অভিভাবক হবেনা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00