📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 প্রতিযোগিতায় কাঠচুপি জায়েয নেই

📄 প্রতিযোগিতায় কাঠচুপি জায়েয নেই


রসূলুল্লাহ্ (সা) বলেন: বাজি ধরায় 'জাল্ব' ও 'জানব' পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য নয়। (আবুদাউদ, তিরমিযি, নাসায়ি, ইবনে মাজা)
'জাল্ব' হলো, এমন ব্যক্তিকে সহিস নিয়োগ করা, যে ঘোড়াকে দ্রুত দৌড়তে বাধ্য করে। আর 'জানব' হলো, অন্য ঘোড়াকে ধাক্কা দেয়া, যাতে সে পিছনে পড়ে যায়।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 প্রতিযোগীকে কষ্ট দেয়া হারাম

📄 প্রতিযোগীকে কষ্ট দেয়া হারাম


জীবজন্তুকে কষ্ট দেয়া ও তার সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা চাপানো হারাম। যদি কেউ সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা বহনে বাধ্য করে, তবে শাসক তাকে এ কাজ থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করতে পারবে। জন্তু যদি দুধেল হয় তবে তা থেকে এত দুধ দোহন করা জায়েয নেই, যাতে তার শাবক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কেননা ইসলামে, মানুষই হোক বা জীবজন্তুই হোক, কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করা ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া জায়েয নেই।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 জীবজন্তুর শরীর চিরে খোদাই করা ও খাসি করা

📄 জীবজন্তুর শরীর চিরে খোদাই করা ও খাসি করা


জীবজন্তুর মুখমণ্ডল ব্যতীত শরীরের অন্য যে কোনো স্থানে চিহ্ন খোদাই করা জায়েয। রসূলুল্লাহ (সা) দেখতে পেলেন, একটা গাধার মুখে চিহ্ন খোদাই করা হয়েছে। তখন তিনি বললেন: তোমরা কি জাননা, যে ব্যক্তি জীবজন্তুর মুখে চিহ্ন খোদাই করে বা প্রহার করে, তাকে আমি অভিশাপ দিয়েছি?' (আবুদাউদ)
জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ (সা) বলেন: রসূলুল্লাহ্ (সা) মুখমণ্ডলে প্রহার করা ও চিহ্ন আকা নিষিদ্ধ করেছেন।' - (মুসলিম, তিরমিযি)।
এ হাদিসে মানুষ বা জীবজন্তুর উল্লেখ না থাকায় ফকিহগণ প্রমাণ করেছেন যে, মানুষ বা জীবজন্তু, কারোই মুখমণ্ডলে প্রহার করা ও চিহ্ন অংকিত করা জায়েয নেই। কেননা মুখমণ্ডল সৌন্দর্যের কেন্দ্রস্থল এবং আল্লাহ্ তাকে সম্মানিত করেছেন। জীবজন্তু যাতে চেনা সহজ হয়, সে জন্য তার মুখমণ্ডল ব্যতীত অন্য কোথাও চিহ্ন আঁকা শুধু জায়েয নয়, বরং মুস্তাহাব। মুসলিমে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ্ (সা) যাকাতের উটকে চিহ্নিত করে রাখতেন।
আবু হানিফার মতে এটা মাকরূহ। কেননা এতে তাকে কষ্ট দেয়া হয় ও দেহ বিকৃত করা হয়, যা রসূল (সা) নিষিদ্ধ করেছেন। আবু হানিফার বক্তব্যের জবাব হলো, এটা ব্যতিক্রমী বিষয় এবং স্বয়ং রসূল (সা) থেকে এই ব্যতিক্রম প্রমাণিত। অর্থাৎ জীবকে কষ্ট দেয়া ও বিকৃত করা তাকে চিহ্নিত করার প্রয়োজন ব্যতীত নিষিদ্ধ। জীবজন্তুকে খাসি করাও একদল ফকিত্বের মতে জায়েয, যাতে জীব মোটা হয় এবং মালিক লাভবান হয়। উরওয়া ইবনুষ যুবাইর তার একটা খচ্চরকে খাসি করেছিলেন। উমর ইবনে আব্দুল আযীয ঘোড়া খাসি করণ ও ইমাম মালিক ছাগলভেড়া খাসি করণে অনুমতি দিয়েছেন।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 মানুষকে খাসি করা

📄 মানুষকে খাসি করা


মানুষকে খাসি করা জায়েয নয়। কেননা এটা দেহ বিকৃত করার পর্যায়ভুক্ত। তাছাড়া এতে প্রজনন ক্ষমতা লোপ পায়। এমনকি যাকে খাসি করা হয়, সে মারাও যেতে পারে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00