📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 অবৈধ কাজে বাধা করা

📄 অবৈধ কাজে বাধা করা


দ্বিতীয় প্রকারের বলপ্রয়োগ হলো অবৈধ কাজে বাধ্য করা। এটা আবার দু প্রকার:
১. যা অনন্যোপায় অবস্থায় বৈধ হয়ে যায়।
২. যা অনন্যোপায় অবস্থায় বৈধ হয় না।
প্রথমটির উদাহরণ হলো মদ পান, মৃত জন্তু খাওয়া, শূকরের গোস্ত খাওয়া, অন্যের সম্পত্তি আত্মসাৎ করা বা অন্য কোনো হারাম জিনিস ভোগদখল করার উপর বলপ্রয়োগ করা। এ অবস্থায় এসব জিনিস খাওয়া বৈধ। এমনকি কোনো কোনো ফকিরে মতে, খাওয়া ওয়াজিব। কারণ না খেয়ে তার উপায় নেই। আর এতে কারো ক্ষতিও নেই। আল্লাহর কোনো হকও এতে নষ্ট হয়না। কারণ আল্লাহ বলেন: وَلاَ تُلْقُوا بِأَيْدِيكُمْ إِلَى التَّهْلُكَةِ 'তোমরা নিজেদেরকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে না।' (সুরা ২, বাকারা: আয়াত ১৯৫)
অনুরূপ, যাকে রমযানের রোযা ভেংগে ফেলতে, কিবলা ব্যতীত অন্য দিকে মুখ করে নামায পড়তে, মূর্তির সামনে বা ক্রুসের সামনে সাজদা করতে বাধ্য করা হয়, তার জন্যও রোযা ভাংগা, যে কোনো দিকে মুখ করে নামায পড়া এবং যে কোনো বস্তুর সামনে সাদা করা জায়েয। তবে মনে মনে আল্লাহর সামনে সাদা করার নিয়ত করতে হবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়ে অপরাধ করলে তার উপর শরয়ি হদ জারি হবে না

📄 বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়ে অপরাধ করলে তার উপর শরয়ি হদ জারি হবে না


যদি ধরে নেয়া হয় যে, কোনো ব্যক্তিকে ব্যভিচারে বাধ্য করায় সে ব্যভিচার করলো, তবে তার উপর ব্যভিচারের শরিয়ত সম্মত শাস্তি কার্যকর হবে না, চাই সে পুরুষ হোক, বা স্ত্রী। কেননা রসূল (সা) বলেন: আমার উম্মাতের ভুলক্রমে কৃত অপরাধ, ভুলক্রমে বাদ পড়া ফরয কাজ এবং বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়ে করা অবৈধ কাজের গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়েছে। ইমাম মালেক, শাফেয়ি, আহমদ, ইসহাক, আবু সাওর, আতা ও যুহরির মতে, কোনো মহিলাকে ব্যভিচারে বাধ্য করা হলে তাকে মোহরে মিসল দিতে হবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00