📄 ঐচ্ছিক শিরকাত
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক একটি সম্পত্তিতে শরিক হওয়া ও তা থেকে যে মুনাফা অর্জিত হবে, তাতে শরিক হওয়ার চুক্তি সম্পাদন করাকে চুক্তিভিত্তিক শিরকাত বলা হয়।
📄 ঐচ্ছিক শিরকাতের প্রকারভেদ
চুক্তিভিত্তিক শিরকাত বা যৌথ মালিকানা চার প্রকার:
১. অসম অংশীদারিত্ব ভিত্তিক যৌথ মালিকানা (শিরকাতুল ইনান)
২. সম অংশীদারিত্ব ভিত্তিক যৌথ মালিকানা (শিরকাতুল মুফাওয়াযা)
৩. মূলধন ব্যতীত যৌথ ব্যবসায় (শিরকাতুল উজুহ)
৪. শ্রমে অংশীদারিত্ব ভিত্তিক যৌথ ব্যবসায় (শিরকাতুল আবদান)
📄 শিরকাতের মূল উপাদান
শিরকাতের মূল উপাদান হচ্ছে ইজাব বা কবুল। একজনে বলবে: তোমাকে অমুক কাজে শরিক করলাম, আর অপরজন বলবে: আমি গ্রহণ করলাম।
📄 বিধান
হানাফি মযহাব অনুসারে উল্লিখিত সব কয় প্রকারের শিরকাত নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বৈধ। মালেকি মযহাব অনুসারে 'শিরকাতুল উজুহ' অর্থাৎ মূলধন বিহীন যৌথ ব্যবসায় ব্যতীত আর সবগুলো বৈধ। শাফেয়ি মযহাবে 'শিরকাতুল ইনান' অর্থাৎ অসম অংশীদারিত্ব ভিত্তিক শিরকাত ব্যতীত আর সব বাতিল। আর হাম্বলি মযহাবে 'শিরকাতুল মুফাওয়াযা' অর্থাৎ সম অংশীদারিত্ব ভিত্তিক শিরকাত ব্যতীত আর সবগুলো বৈধ।