📄 শিরকাতের প্রকারভেদ
শিরকাত দুই প্রকার: মালিকানার শিরকাত ও চুক্তি ভিত্তিক শিরকাত।
📄 মালিকানায় শিরকাত বা যৌথ মালিকানা
একই জিনিসে বিনা চুক্তিতে একাধিক ব্যক্তির মালিকানা লাভকে মালিকানায় শিরকাত বলা হয়। এটি আবার দুই ধরনের: ইচ্ছাকৃত ও বাধ্যতামূলক। ইচ্ছাকৃতভাবে মালিকানায় শিরকাতের উদাহরণ হলো, একাধিক ব্যক্তিকে একটি জিনিস দান করা বা ওসিয়ত করা এবং উক্ত ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক তা গ্রহণ করা। এ ক্ষেত্রে দান বা ওসিয়ত সূত্রে প্রাপ্ত জিনিসটি তাদের সম্মিলিত বা যৌথ মালিকানাভুক্ত হবে, অনুরূপ, যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি তাদের জন্যে কোনো বস্তু খরিদ করে, তখন খরিদকৃত বস্তুটি তাদের যৌথ মালিকানার অধীন থাকবে। আর মালিকানায় বাধ্যতামূলক শিরকাত হলো, যে শিরকাত অনিচ্ছাকৃত ভাবে একাধিক ব্যক্তির জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়, যেমন উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। এখানে উত্তরাধিকারীরা তাদের ইচ্ছা ব্যতিরেকেই কোনো সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকে এবং তাদের মালিকানা হয় শিরকাতের মালিকানা বা যৌথ মালিকানা।
📄 যৌথ মালিকানার বিধান
এ ধরনের শিরকাতের বিধান হলো, কোনো শরিকের জন্য তার অপর শরিকের অংশে হস্তক্ষেপ করা তার বিনা অনুমতিতে জায়েয নয়। কেননা এক শরিকের অংশে অপর শরিকের কোনো অধিকার নেই। এ ক্ষেত্রে সে তার নিকট একজন অপরিচিত ব্যক্তি।
📄 ঐচ্ছিক শিরকাত
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক একটি সম্পত্তিতে শরিক হওয়া ও তা থেকে যে মুনাফা অর্জিত হবে, তাতে শরিক হওয়ার চুক্তি সম্পাদন করাকে চুক্তিভিত্তিক শিরকাত বলা হয়।