📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 জামিন কর্তৃক খাতকের কাছে পাওনা দাবি করা

📄 জামিন কর্তৃক খাতকের কাছে পাওনা দাবি করা


জামিন যখন খাতকের ঋণ পরিশোধ করে দেয়, তখন সে যদি খাতকের অনুমতি বা অনুরোধক্রমে জামিন হয়ে থাকে ও পরিশোধ করে থাকে, তবে খাতকের নিকট তা দাবি করতে পারবে। কেননা সে ঐ ব্যক্তিকে তার অনুমতিক্রমে নিজের সম্পদ ব্যয় করে উপকৃত করেছে। এ বিষয়ে চার ইমামেরই মতৈক্য রয়েছে। তবে তার অনুমতি বা আদেশ ব্যতীত জামিন হলে ও ব্যয় করলে তা দাবি করতে পারবে কিনা, তাতে মতভেদ রয়েছে ইমাম শাফেয়ি ও ইমাম আবু হানিফা বলেন: সে স্বেচ্ছায় ব্যয় করেছে কাজেই সে এটা চাইতে পারবে না। ইমাম মালেকের মতে, চাইতে পারবে। ইমাম আহমদের দুটি মত বর্ণিত: একটি মত অনুসারে চাইতে পারবে, অপর মত অনুসারে চাইতে পারবে না। ইমাম হাযম বলেন: অনুরোধ বা অনুমতি নিয়ে জামিন হোক ও ব্যয় করুক, বা অনুমতি ও অনুরোধ ছাড়াই জামিন হোক ও ব্যয় করুক, যা ব্যয় করেছে তা চাইতে পারবে না। তবে খাতক যদি তার কাছে ধার চেয়ে থাকে, তবে চাইতে পারবে। ইবনে হাযম বলেন: ইবনে আবি লায়লা, ইবনে শারুমা, আবু নূর ও আবু সুলায়মান আমাদের মতের অনুরূপ মত প্রকাশ করেছেন।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 কেফালার কয়েকটি বিধি

📄 কেফালার কয়েকটি বিধি


১. কোনো ব্যক্তি যখন কারো জামিন হয়, তখন যার জামিন হয়, সে যদি নিখোঁজ হয় বা মারা যায়, তবে জামিন তার জন্য দায়ী হবে। নিজের পক্ষ থেকে অথবা যার জামিন হয়েছে তার কাছ থেকে নিয়ে পাওনা পরিশোধ করা, ঋণদাতা কর্তৃক তাকে ঋণ পরিশোধ থেকে অব্যাহতি দেয়া, অথবা নিজেই জামিন হওয়া থেকে অব্যাহতি নেয়া ছাড়া সে এই দায় এড়ানোতে পারে না। সে জামিন হওয়া থেকে অব্যাহতি নিতে পারে। কেননা এটা তার অধিকার।
২. ঋণদাতার ক্ষমতা রয়েছে কেফালার চুক্তি বাতিল করার, চাই তাতে খাতক বা জামিন সম্মত হোক বা না হোক। তবে খাতক বা জামিনের এ ক্ষমতা নেই।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00