📘 ফিকাহুস সুন্নাহ 📄 নবজাতকের উপরে কয়েকটি জাহিলি প্রথা

📄 নবজাতকের উপরে কয়েকটি জাহিলি প্রথা


আরবরা উটনীর প্রথম শাবককে তাদের দেবদেবীর নামে জবাই করতো এবং এর নাম ছিলো ফারা। আর রজব মাসের সম্মানার্থে একটা পশু জবাই করতো এবং এর নাম দিত উতায়রা। ইসলাম দেব-দেবীর সম্মানার্থে পশু জবাই করতে নিষেধ করেছে, জাহিলি রীতিনীতি পাল্টে দিয়েছে এবং আল্লাহ্র নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে আল্লাহ্ নামে পশু জবাইকে বৈধ করেছে। আবু হুরায়রা (রা) বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ্ (সা) বলেন: 'ফারা ও উতায়রা বৈধ নয়।' নুবায়শা (রা) বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ (সা) কে বললো: আমরা জাহেলি যুগে রজব মাসে 'উতায়রা' জবাই করতাম। এ সম্পর্কে আপনার আদেশ কী? রসূলুল্লাহ্ (সা) বললেন: আল্লাহ্র নামে যে কোনো মাসে জবাই কর এবং আল্লাহ্ নামে দান কর ও খাওয়াও। সেই ব্যক্তি পুনরায় বললো: আমরা জাহেলি যুগে 'ফারা' যবাই করতাম, এ সম্পর্কে আপনার নির্দেশ কী? রসূলুল্লাহ্ (সা) বললেন: 'প্রত্যেক চরে খাওয়া পশুরই শাবক হয়, যাকে তোমাদের গবাদি পশু প্রতিপালন করে। যখন সেই শাবক উটে পরিণত হয়, তখন যদি তুমি তাকে জবাই কর, এবং তার গোস্ত পথিকদেরকে দান কর, তবে সেটা উত্তম কাজ।'
(আবু দাউদ, নাসায়ি)।
আবু রযীন বলেন আমি বললাম: হে রসূলুল্লাহ্, আমরা রজব মাসে পশু জবাই করে নিজেরা খেতাম ও অতিথিকে খাওয়াতাম। রসূলুল্লাহ (সা) বললেন: এতে দোষের কিছু নেই।' ইমাম আহমদ ও নাসায়ি উমর ইবনুল হারিস (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বিদায় হজ্জে রসূলুল্লাহ (সা) এর সাথে সাক্ষাৎ করলেন। তখন এক ব্যক্তি বললো: 'হে রসূলুল্লাহ, ফারা ও উতায়রা সম্পর্কে বলুন। তিনি বললেন: যার ইচ্ছা ফারা জবাই করুক বা না করুক, যার ইচ্ছা উতায়রা জবাই করুক বা না করুক, তবে ছাগল ভেড়ায় কুরবানী আছে।'

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ 📄 শিশুর খাৎনা করানো

📄 শিশুর খাৎনা করানো


হাম্বলি গ্রন্থাবলীতে আছে: মেয়ে শিশুকে অলংকারের জন্য কানফুটানো জায়েয, কিন্তু ছেলেদের বেলায় এটা মাকরূহ। ফাতাওয়া 'কাজীখানে' আছে: মেয়ে শিশুর কান ফুটানোতে দোষ নেই। কেননা জাহিলি যুগে লোকেরা এটা করতো। পরে রসূল (সা) এটা অপছন্দ করেননি।'

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية