📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 সংজ্ঞা

📄 সংজ্ঞা


জাহিলি যুগে আরবে কেউ তার বাড়ি বা বাগান বিক্রয় করতে চাইলে তার কাছে তার প্রতিবেশী, অংশীদার ও পার্শ্ববর্তী জমি বাড়ি বা বাগানের মালিক এসে অনুরোধ করতো, যে জিনিস সে একজন দূরবর্তী লোকের নিকট বিক্রয় করতে যাচ্ছে বা করছে, তা যেন দূরবর্তী লোকটির পরিবর্তে তার নিকট বিক্রয় করে এবং তাকে তার উপর অগ্রাধিকার দেয়। এই অনুরোধ ও সুপারিশ করাকে আরবিতে শুফআ বলা হয় এবং অনুরোধকারীকে বলা হয় শাফি। শরিয়তে এর উদ্দেশ্য হলো, শাফি' কর্তৃক বিক্রীত বস্তুকে ক্রেতার নিকট থেকে জোরপূর্বক একই মূল্য ও আনুসংগিক ব্যয়ভার বহন করে নিজ মালিকানায় নেয়া।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 বৈধতা

📄 বৈধতা


শুফআ হাদিস দ্বারা বৈধ প্রমাণিত। তদুপরি মুসলমানরা এর বৈধতার ব্যাপারে একমত।
ইমাম বুখারি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণনা করেন: রসূলুল্লাহ (সা) যে জিনিস ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়নি, তাতে শুফআর পক্ষে ফায়সালা করেছেন। কিন্তু যখন সীমানা সৃষ্টি হয়ে যাবে এবং রাস্তার পরিবর্তন হবে, তখন আর শুফআ দেয়া হবেনা।'

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 যৌক্তিকতা

📄 যৌক্তিকতা


ইসলাম ক্ষতি নিবারণ ও শত্রুতা রোধ করার উদ্দেশ্য শুফআকে বিধিবদ্ধ করেছে। কেননা যে বিক্রীত বস্তুটি একজন অচেনা ব্যক্তি খরিদ করেছে, অপেক্ষাকৃত নিকটতর ব্যক্তি যদি তার মালিক হয়, তবে সে এই অচেনা ব্যক্তির কাছ থেকে যে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারতো, তা থেকে নিরাপদ হয়ে যাবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 অমুসলিম নাগরিকদের জন্যে শুফআ

📄 অমুসলিম নাগরিকদের জন্যে শুফআ


শুফআ যেমন মুসলমানের প্রাপ্য হয়ে থাকে, তেমনি তা অমুসলিম নাগরিকেরও প্রাপ্য। এটা অধিকাংশ ফকিহের অভিমত। ইমাম আহমদ, হাসান, ও শাবির মতে এটা অমুসলিমের জন্য নয়। কেননা দারু কুতনিতে আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ (সা) বলেন: 'কোনো খ্রিষ্টান শুফআর সুবিধা পাবে না।'

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00