📄 মুদারাবার মৌলিক উপাদান
মুদারাবার মৌলিক উপাদান
মুদারাবার মৌলিক উপাদান হলো:
১. মূলধন: মূলধন নগদ অর্থ বা সোনা-রূপার আকারে হতে হবে। অন্যান্য সম্পদ, যেমন জমি বা পণ্য, মূলধন হিসেবে বিবেচিত হবে না। মূলধন সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে।
২. ব্যবসায়ী: ব্যবসায়ীকে সুস্থ মস্তিষ্ক ও প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। তাকে ব্যবসা পরিচালনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
৩. ব্যবসা: ব্যবসাটি বৈধ হতে হবে। অবৈধ ব্যবসার জন্য মুদারাবা চুক্তি করা হলে তা বাতিল হবে। ব্যবসার ক্ষেত্র সুনির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট হতে পারে।
৪. লাভ: লাভ নির্ধারিত অনুপাতে বণ্টিত হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি বলা হয়: "লাভের অর্ধেক মূলধনের মালিক পাবে এবং অর্ধেক ব্যবসায়ী পাবে," তাহলে চুক্তি বৈধ হবে। লাভের পরিমাণ অনির্দিষ্ট থাকলে চুক্তি বাতিল হবে।
৫. ক্ষতি: ক্ষতির দায় সম্পূর্ণরূপে মূলধনের মালিকের উপর বর্তাবে। ব্যবসায়ী কোনো ক্ষতির দায় বহন করবে না, যদি না তার ভুল বা অবহেলার কারণে ক্ষতি হয়ে থাকে।
৬. চুক্তি: চুক্তিটি ইজাব ও কবুল দ্বারা সম্পন্ন হতে হবে। উভয় পক্ষের সুস্পষ্ট সম্মতি ও প্রস্তাব গ্রহণ আবশ্যক। মুখে বলে অথবা লিখিতভাবে সম্মতি প্রকাশ করা যেতে পারে।
📄 মুদারাবার শর্তাবলী
মুদারাবার শর্তাবলী
মুদারাবা চুক্তির বিশুদ্ধতার জন্য নিম্নোক্ত শর্তাবলী পূরণ আবশ্যক:
১. মূলধন: মূলধন নগদ অর্থ বা সোনা-রূপার আকারে হতে হবে। অন্যান্য সম্পদ, যেমন জমি বা পণ্য, মূলধন হিসেবে বিবেচিত হবে না। মূলধন সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে।
২. ব্যবসায়ী: ব্যবসায়ীকে সুস্থ মস্তিষ্ক ও প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। তাকে ব্যবসা পরিচালনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
৩. ব্যবসা: ব্যবসাটি বৈধ হতে হবে। অবৈধ ব্যবসার জন্য মুদারাবা চুক্তি করা হলে তা বাতিল হবে। ব্যবসার ক্ষেত্র সুনির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট হতে পারে।
৪. লাভ: লাভ নির্ধারিত অনুপাতে বণ্টিত হবে। লাভের পরিমাণ অনির্দিষ্ট থাকলে চুক্তি বাতিল হবে।
৫. ক্ষতি: ক্ষতির দায় সম্পূর্ণরূপে মূলধনের মালিকের উপর বর্তাবে। ব্যবসায়ী কোনো ক্ষতির দায় বহন করবে না, যদি না তার ভুল বা অবহেলার কারণে ক্ষতি হয়ে থাকে।
৬. চুক্তি: চুক্তিটি ইজাব ও কবুল দ্বারা সম্পন্ন হতে হবে। উভয় পক্ষের সুস্পষ্ট সম্মতি ও প্রস্তাব গ্রহণ আবশ্যক। মুখে বলে অথবা লিখিতভাবে সম্মতি প্রকাশ করা যেতে পারে।
৭. চুক্তির মেয়াদ: মুদারাবা চুক্তির মেয়াদ সুনির্দিষ্ট হতে পারে বা অনির্দিষ্ট হতে পারে। যদি মেয়াদ সুনির্দিষ্ট থাকে, তাহলে মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে চুক্তি বাতিল হবে। যদি মেয়াদ অনির্দিষ্ট থাকে, তাহলে চুক্তি উভয় পক্ষের ইচ্ছানুসারে বাতিল করা যেতে পারে।
৮. ব্যবসা পরিচালনা: ব্যবসায়ীকে মূলধনের মালিকের অনুমতি ছাড়া মূলধন ব্যবহার করতে পারবে না। তাকে ব্যবসার নিয়ম-নীতি মেনে চলতে হবে।
📄 ব্যবসাকারী আমানত রক্ষক
ব্যবসাকারী আমানত রক্ষক
মুদারাবা চুক্তিতে ব্যবসাকারী মূলধনের মালিকের আমানত রক্ষক হিসেবে কাজ করে। তাকে মূলধনের সঠিক ব্যবহার করতে হবে এবং লাভজনকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। যদি ব্যবসাকারী মূলধনের অপব্যবহার করে অথবা তার অবহেলার কারণে মূলধনের ক্ষতি হয়, তাহলে সে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে।
ব্যবসাকারীর দায়িত্ব হলো মূলধনের সঠিক হিসাব রাখা এবং মূলধনের মালিককে ব্যবসার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করা। তাকে মূলধনের মালিকের অনুমতি ছাড়া মূলধন ব্যবহার করতে পারবে না।
যদি ব্যবসাকারী মূলধনের মালিকের অনুমতি ছাড়া মূলধন ব্যবহার করে, তাহলে সে আমানতের খেয়ানতকারী হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকতে হবে।
যদি ব্যবসাকারী মূলধনের মালিকের অনুমতি ছাড়া মূলধন ব্যবহার করে এবং তাতে লাভ হয়, তাহলে লাভ মূলধনের মালিকের হবে। ব্যবসাকারী কোনো লাভ পাবে না। যদি ক্ষতি হয়, তাহলে ব্যবসাকারী সম্পূর্ণ ক্ষতির দায় বহন করবে।
ব্যবসাকারীর দায়িত্ব হলো ব্যবসা সফল করা এবং লাভ অর্জন করা। যদি ব্যবসাকারী তার দক্ষতা ও শ্রম দিয়ে ব্যবসা সফল করে, তাহলে সে চুক্তি অনুযায়ী লাভের অংশ পাবে।
📄 ব্যবসাকারী যদি অন্যের নিকট পুঁজি হস্তান্তর করে
ব্যবসাকারী যদি অন্যের নিকট পুঁজি হস্তান্তর করে
ব্যবসাকারী মূলধনের মালিকের অনুমতি ছাড়া অন্যের নিকট পুঁজি হস্তান্তর করতে পারবে না। যদি ব্যবসাকারী মূলধনের মালিকের অনুমতি ছাড়া অন্যের নিকট পুঁজি হস্তান্তর করে, তাহলে সে আমানতের খেয়ানতকারী হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকতে হবে।
যদি ব্যবসাকারী মূলধনের মালিকের অনুমতি নিয়ে অন্যের নিকট পুঁজি হস্তান্তর করে, তাহলে মূলধনের মালিক এবং ব্যবসাকারী উভয়ের সম্মতিক্রমে চুক্তিটি সম্পন্ন হবে।
যদি ব্যবসাকারী মূলধনের মালিকের অনুমতি নিয়ে অন্যের নিকট পুঁজি হস্তান্তর করে এবং তাতে লাভ হয়, তাহলে লাভ চুক্তি অনুযায়ী বণ্টিত হবে। যদি ক্ষতি হয়, তাহলে ক্ষতির দায় সম্পূর্ণরূপে মূলধনের মালিকের উপর বর্তাবে, যদি না ব্যবসাকারীর ভুল বা অবহেলার কারণে ক্ষতি হয়ে থাকে।
যদি ব্যবসাকারী মূলধনের মালিকের অনুমতি ছাড়া অন্যের নিকট পুঁজি হস্তান্তর করে এবং তাতে লাভ হয়, তাহলে লাভ মূলধনের মালিকের হবে। ব্যবসাকারী কোনো লাভ পাবে না। যদি ক্ষতি হয়, তাহলে ব্যবসাকারী সম্পূর্ণ ক্ষতির দায় বহন করবে।