📄 ধাত্রী ভাড়া করা
ধাত্রী ভাড়া করা
ধাত্রী ভাড়া করা বৈধ। মহান আল্লাহ বলেন: فَإِنْ أَرْضَعْنَ لَكُمْ فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ وَأْتَمِرُوا بَيْنَكُمْ بِمَعْرُوفٍ
অর্থ: যদি তারা তোমাদের অনুকূলে সন্তানকে দুধ পান করায়, তবে তাদেরকে তাদের মজুরি দাও। আর তোমরা নিজেদের মধ্যে যথোচিতভাবে পরামর্শ করো।" (সূরা তালাক: আয়াত ৬) এই আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, ধাত্রী ভাড়া করা বৈধ এবং দুধ পান করানোর জন্য মজুরি দেওয়া আবশ্যক।
ধাত্রী ভাড়া করার জন্য ধাত্রীর দুধের পরিমাণ, দুধ পান করানোর সময়কাল, পারিশ্রমিক এবং অন্যান্য শর্তাবলী সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে। যদি শর্তাবলী অনির্ধারিত থাকে, তাহলে চুক্তি বাতিল হবে।
ধাত্রী শিশুটির জন্য উপযুক্ত হতে হবে। ধাত্রী সুস্থ, সৎ ও বিশ্বস্ত হতে হবে। যদি ধাত্রীর কোনো শারীরিক বা মানসিক ত্রুটি থাকে যা শিশুটির স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তবে তাকে ধাত্রী হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না।
যদি ধাত্রী চুক্তি অনুযায়ী কাজ না করে, তবে চুক্তি বাতিল হবে এবং তাকে পারিশ্রমিক দেওয়া হবে না। যদি ধাত্রী চুক্তি অনুযায়ী কাজ করে, তবে তাকে সম্পূর্ণ পারিশ্রমিক প্রদান করতে হবে।
📄 খানা ও বস্ত্রের বিনিময়ে নিয়োগের বৈধতা
খানা ও বস্ত্রের বিনিময়ে নিয়োগের বৈধতা
খানা ও বস্ত্রের বিনিময়ে মজুর নিয়োগ করা বৈধ। যদি চুক্তিটি এমন হয় যে, তাতে মজুরের পারিশ্রমিক নগদ অর্থের পরিবর্তে খাবার ও পোশাকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়, তাহলে চুক্তি বৈধ হবে। তবে খাবার ও পোশাকের পরিমাণ ও গুণগত মান সুনির্দিষ্ট হতে হবে। যদি পরিমাণ ও গুণগত মান অনির্ধারিত থাকে, তাহলে চুক্তি বাতিল হবে।
মহান আল্লাহ বলেন: فَإِنْ أَرْضَعْنَ لَكُمْ فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ وَأْتَمِرُوا بَيْنَكُمْ بِمَعْرُوفٍ
অর্থ: যদি তারা তোমাদের অনুকূলে সন্তানকে দুধ পান করায়, তবে তাদেরকে তাদের মজুরি দাও। আর তোমরা নিজেদের মধ্যে যথোচিতভাবে পরামর্শ করো।" (সূরা তালাক: আয়াত ৬) এই আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, দুধ পান করানোর জন্য মজুরি নগদ অর্থের পরিবর্তে খাবার ও পোশাকের মাধ্যমে প্রদান করা যেতে পারে।
যদি খাবার ও পোশাকের বিনিময়ে মজুর নিয়োগ করা হয়, তাহলে মজুরের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিয়োগকারীর উপর বর্তাবে। নিয়োগকারীকে মজুরের জন্য পর্যাপ্ত খাবার ও পোশাকের ব্যবস্থা করতে হবে।
যদি খাবার ও পোশাকের বিনিময়ে মজুর নিয়োগ করা হয়, তাহলে মজুরের অধিকার রয়েছে তার পারিশ্রমিকের। নিয়োগকারীকে মজুরের পারিশ্রমিক সময় মতো পরিশোধ করতে হবে।
যদি খাবার ও পোশাকের বিনিময়ে মজুর নিয়োগ করা হয়, তাহলে মজুরের কর্তব্য হলো নিয়োগকারীর প্রতি অনুগত থাকা এবং চুক্তির শর্ত অনুযায়ী কাজ করা।
📄 জমি ভাড়া দেয়া
জমি ভাড়া দেয়া
জমি ভাড়া দেওয়া বৈধ। জমি ভাড়া দেওয়ার জন্য চুক্তির মেয়াদ, পারিশ্রমিকের পরিমাণ এবং অন্যান্য শর্তাবলী সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে। যদি শর্তাবলী অনির্ধারিত থাকে, তাহলে চুক্তি বাতিল হবে।
জমির মালিককে তার জমির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হবে। যদি জমির কোনো ক্ষতি হয়, তবে মালিককে তা মেরামত করতে হবে।
জমির ভাড়াটিয়াকে জমির সঠিক ব্যবহার করতে হবে। যদি ভাড়াটিয়া জমির অপব্যবহার করে, তবে চুক্তি বাতিল হবে এবং তাকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
জমির ভাড়াটিয়াকে জমির ভাড়া সময় মতো পরিশোধ করতে হবে। যদি ভাড়াটিয়া ভাড়া পরিশোধ করতে অক্ষম হয়, তবে চুক্তি বাতিল হবে এবং তাকে জমি খালি করতে হবে।
যদি জমির মালিক এবং ভাড়াটিয়ার মধ্যে কোনো বিরোধ দেখা দেয়, তাহলে তা সালিশ বা আদালতের মাধ্যমে মীমাংসা করা যেতে পারে। সালিশ বা আদালত ন্যায়বিচার ও ইনসাফের ভিত্তিতে বিরোধের নিষ্পত্তি করবে।
📄 পশু ভাড়া দেয়া
পশু ভাড়া দেয়া
পশু ভাড়া দেওয়া বৈধ। পশু ভাড়া দেওয়ার জন্য চুক্তির মেয়াদ, পারিশ্রমিকের পরিমাণ, পশুর ধরন এবং অন্যান্য শর্তাবলী সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে। যদি শর্তাবলী অনির্ধারিত থাকে, তাহলে চুক্তি বাতিল হবে।
পশুর মালিককে তার পশুর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হবে। যদি পশুর কোনো ক্ষতি হয়, তবে মালিককে তা মেরামত করতে হবে।
পশুর ভাড়াটিয়াকে পশুর সঠিক ব্যবহার করতে হবে। যদি ভাড়াটিয়া পশুর অপব্যবহার করে, তবে চুক্তি বাতিল হবে এবং তাকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
পশুর ভাড়াটিয়াকে পশুর ভাড়া সময় মতো পরিশোধ করতে হবে। যদি ভাড়াটিয়া ভাড়া পরিশোধ করতে অক্ষম হয়, তবে চুক্তি বাতিল হবে এবং তাকে পশু ফেরত দিতে হবে।
যদি পশুর মালিক এবং ভাড়াটিয়ার মধ্যে কোনো বিরোধ দেখা দেয়, তাহলে তা সালিশ বা আদালতের মাধ্যমে মীমাংসা করা যেতে পারে। সালিশ বা আদালত ন্যায়বিচার ও ইনসাফের ভিত্তিতে বিরোধের নিষ্পত্তি করবে।