📄 বন্ধকী সম্পত্তি দ্বারা বন্ধক গ্রহীতার লাভবান হওয়া
বন্ধকী সম্পত্তি দ্বারা বন্ধক গ্রহীতার লাভবান হওয়া বৈধ নয়। যদি বন্ধক গ্রহীতা বন্ধকী সম্পত্তি দ্বারা কোনো লাভ গ্রহণ করে, তাহলে সেই লাভ সুদ বলে গণ্য হবে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যে ঋণে মুনাফা আসে তা সুদ।" (বায়হাকি)
এ হাদিস থেকে জানা যায়, বন্ধকী সম্পত্তি দ্বারা বন্ধক গ্রহীতার লাভবান হওয়া হারাম।
📄 বন্ধকী সম্পত্তির ব্যয়ভার ও উপকারিতা
বন্ধকী সম্পত্তির ব্যয়ভার বন্ধককারীর উপর বর্তাবে। বন্ধক গ্রহীতার উপর নয়। তবে বন্ধকী সম্পত্তির উপকারিতা বন্ধককারীরই প্রাপ্য। যদি বন্ধকী সম্পত্তি দ্বারা কোনো আয় হয়, তাহলে সেই আয় বন্ধককারীরই প্রাপ্য। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "বন্ধকী সম্পত্তির উপকারিতা বন্ধককারীরই প্রাপ্য।" (আবু দাউদ, তিরমিযি, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ)
এ হাদিস থেকে জানা যায়, বন্ধকী সম্পত্তির উপকারিতা বন্ধককারীরই প্রাপ্য।
📄 বন্ধকী সম্পত্তি আত্মসাত
বন্ধকী সম্পত্তি আত্মসাত করা হারাম। যদি বন্ধক গ্রহীতা বন্ধকী সম্পত্তি আত্মসাত করে, তাহলে সেই কাজ হারাম। তাকে শাস্তি দেয়া হবে এবং বন্ধকী সম্পত্তি ফেরত দিতে হবে।
📄 ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত বন্ধক বহাল থাকবে
ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত বন্ধক বহাল থাকবে। বন্ধককারী ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত বন্ধক গ্রহীতা বন্ধকী সম্পত্তি আটক রাখতে পারবে। যদি বন্ধককারী ঋণ পরিশোধ করে, তাহলে বন্ধক গ্রহীতাকে বন্ধকী সম্পত্তি ফেরত দিতে হবে।