📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 রাহনের বৈধতা

📄 রাহনের বৈধতা


রাহন বা বন্ধক শরিয়তে বৈধ। আল্লাহ তায়ালা বলেন:
وَإِن كُنتُمْ عَلَىٰ سَفَرٍ وَلَمْ تَجِدُوا كَاتِبًا فَرِهَانٌ مَّقْبُوضَةٌ
অর্থ: "যদি তোমরা সফরে থাকো এবং কোনো লেখক না পাও, তাহলে বন্ধকী জিনিসগুলো গ্রহণ করো।" (সূরা বাকারা: ২৮৩)
এ আয়াত থেকে জানা যায়, বন্ধক বৈধ। রসূলুল্লাহ সা. নিজেও বন্ধক গ্রহণ করেছেন। বুখারি ও মুসলিম আনাস রা. থেকে বর্ণনা করেন: "রসূলুল্লাহ সা. তার বর্ম বন্ধক রেখে একজন ইহুদীর নিকট থেকে যব ক্রয় করেছিলেন।" (বুখারি, মুসলিম)
এ হাদিস থেকে জানা যায়, বন্ধক বৈধ।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 বন্ধকের বিশুদ্ধতার শর্তাবলী

📄 বন্ধকের বিশুদ্ধতার শর্তাবলী


বন্ধকের বিশুদ্ধতার শর্তাবলী হলো:
১. বন্ধককারী ও বন্ধক গ্রহীতার সুস্থ মস্তিষ্ক, প্রাপ্তবয়স্ক ও স্বাধীন ক্ষমতার অধিকারী হওয়া চাই।
২. বন্ধকী পণ্য ও ঋণের মূল্য হালাল ও পবিত্র হওয়া চাই।
৩. বন্ধকী পণ্য ও ঋণের মূল্য নির্দিষ্ট ও জ্ঞাত হওয়া চাই।
৪. বন্ধকী পণ্যের মালিকানা বন্ধককারীর উপর প্রতিষ্ঠিত হওয়া চাই।
৫. বন্ধকী পণ্য হস্তান্তরের ক্ষমতা বন্ধককারীর থাকা চাই।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 বন্ধকী সম্পত্তি দ্বারা বন্ধক গ্রহীতার লাভবান হওয়া

📄 বন্ধকী সম্পত্তি দ্বারা বন্ধক গ্রহীতার লাভবান হওয়া


বন্ধকী সম্পত্তি দ্বারা বন্ধক গ্রহীতার লাভবান হওয়া বৈধ নয়। যদি বন্ধক গ্রহীতা বন্ধকী সম্পত্তি দ্বারা কোনো লাভ গ্রহণ করে, তাহলে সেই লাভ সুদ বলে গণ্য হবে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যে ঋণে মুনাফা আসে তা সুদ।" (বায়হাকি)
এ হাদিস থেকে জানা যায়, বন্ধকী সম্পত্তি দ্বারা বন্ধক গ্রহীতার লাভবান হওয়া হারাম।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 বন্ধকী সম্পত্তির ব্যয়ভার ও উপকারিতা

📄 বন্ধকী সম্পত্তির ব্যয়ভার ও উপকারিতা


বন্ধকী সম্পত্তির ব্যয়ভার বন্ধককারীর উপর বর্তাবে। বন্ধক গ্রহীতার উপর নয়। তবে বন্ধকী সম্পত্তির উপকারিতা বন্ধককারীরই প্রাপ্য। যদি বন্ধকী সম্পত্তি দ্বারা কোনো আয় হয়, তাহলে সেই আয় বন্ধককারীরই প্রাপ্য। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "বন্ধকী সম্পত্তির উপকারিতা বন্ধককারীরই প্রাপ্য।" (আবু দাউদ, তিরমিযি, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ)
এ হাদিস থেকে জানা যায়, বন্ধকী সম্পত্তির উপকারিতা বন্ধককারীরই প্রাপ্য।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00