📄 শরিয়তে এর বৈধতা
করদ বা ঋণ শরিয়তে বৈধ এবং উৎসাহিত। আল্লাহ তায়ালা বলেন:
إِن تُقْرِضُوا اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا يُضَاعِفْهُ لَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ۚ وَاللَّهُ شَكُورٌ حَلِيمٌ
অর্থ: "যদি তোমরা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও, তিনি তা তোমাদের জন্য দ্বিগুণ করে দেবেন এবং তোমাদের ক্ষমা করে দেবেন। আল্লাহ শোকরকারী, সহনশীল।" (সূরা তাগাবুন: ১৭)
এ আয়াত থেকে জানা যায়, আল্লাহকে উত্তম ঋণ দেয়া বৈধ এবং তাতে সওয়াব রয়েছে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমকে ঋণ দেয়, সে যেন তাকে দু'বার দান করে।" (মুসলিম)
এ হাদিস থেকে জানা যায়, ঋণ দেয়া বৈধ এবং তাতে সওয়াব রয়েছে।
টিকা:
১. এখানে "আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও" বলতে আল্লাহর বান্দাদেরকে ঋণ দেয়াকে বোঝানো হয়েছে।
📄 ঋণের চুক্তি
ঋণের চুক্তি বৈধ। আল্লাহ তায়ালা বলেন:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا تَدَايَنتُم بِدَيْنٍ إِلَىٰ أَجَلٍ مُّسَمًّى فَاكْتُبُوهُ
অর্থ: "হে মুমিনগণ, যখন তোমরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য ঋণ লেনদেন করো, তখন তা লিখে রাখো।" (সূরা বাকারা: ২৮২)
এ আয়াত থেকে জানা যায়, ঋণের চুক্তি বৈধ এবং তা লিখে রাখা মুস্তাহাব।
📄 মেয়াদ নির্ধারণের শর্ত
ঋণের জন্য মেয়াদ নির্ধারণ করা বৈধ। তবে মেয়াদ নির্দিষ্ট হওয়া চাই। যদি মেয়াদ নির্দিষ্ট না হয়, তাহলে ঋণ বৈধ হবেনা। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যে ব্যক্তি বাইয়ে সালাম করে, সে যেন নির্দিষ্ট ওজন, নির্দিষ্ট পরিমাণ ও নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য করে।" (বুখারি, মুসলিম)
এ হাদিস থেকে জানা যায়, ঋণের জন্য মেয়াদ নির্ধারণ করা বাধ্যতামূলক।
📄 কী কী জিনিস ঋণ জায়েয
সকল হালাল ও পবিত্র জিনিস ঋণ জায়েয। উদাহরণস্বরূপ, টাকা, খাদ্য, বস্ত্র ইত্যাদি। হারাম বা অপবিত্র জিনিস ঋণ জায়েয নয়। উদাহরণস্বরূপ, মদ, শুকর ইত্যাদি।