📄 বুদ্ধিজনিত সুদ
বুদ্ধিজনিত সুদ হলো, ঋণের উপর মেয়াদের কারণে অতিরিক্ত গ্রহণ করা। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ ১০০ টাকা ঋণ নিয়ে এক মাস পর ১০৫ টাকা পরিশোধ করে, তাহলে অতিরিক্ত ৫ টাকা সুদ বলে গণ্য হবে। এ ধরনের সুদ হারাম। আল্লাহ তায়ালা বলেন:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
অর্থ: "হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সুদের যা কিছু বাকি আছে, তা ত্যাগ করো, যদি তোমরা মুমিন হও।" (সূরা বাকারা: ২৭৮)
এ আয়াত থেকে জানা যায়, বুদ্ধিজনিত সুদ হারাম।
📄 নসিয়ার কারণ
নসিয়ার কারণ হলো, ঋণের উপর মেয়াদের কারণে অতিরিক্ত গ্রহণ করা। এর ফলে সম্পদ এক হাতে পুঞ্জীভূত হয় এবং দরিদ্ররা আরও দরিদ্র হয়। তাই নসিয়া হারাম।
📄 গোদামে বিনিময়ে সুদ বিক্রয় করা
গোদামে বিনিময়ে সুদ বিক্রয় করা হারাম। যদি কেউ একই ধরনের পণ্য গোদামে বিনিময়ে সুদ হিসেবে বিক্রয় করে, তাহলে সেই বিক্রয় হারাম। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ এক কেজি গম গোদামে দিয়ে এক কেজি ১০০ গ্রাম গম গ্রহণ করে, তাহলে অতিরিক্ত ১০০ গ্রাম গম সুদ বলে গণ্য হবে।
📄 শস্যের বিনিময়ে খেজুর বিক্রয়
শস্যের বিনিময়ে খেজুর বিক্রয় বৈধ নয়। যদি একই ধরনের বা একই গুণসম্পন্ন পণ্য হয় এবং তাদের মধ্যে পরিমাণ বা ওজনের তারতম্য থাকে, তাহলে সেই বিক্রয় অবৈধ। রসূলুল্লাহ সা. শস্যের বিনিময়ে খেজুর বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারি, মুসলিম)
এ হাদিস থেকে জানা যায়, শস্যের বিনিময়ে খেজুর বিক্রয় অবৈধ।