📘 ফিকাহুস সুন্নাহ 📄 সুদ নিষিদ্ধকরণের যৌক্তিকতা

📄 সুদ নিষিদ্ধকরণের যৌক্তিকতা


সুদ নিষিদ্ধকরণের যৌক্তিকতা সুস্পষ্ট। সুদ মানুষের মধ্যে অলসতা ও কৃপণতা বৃদ্ধি করে, সম্পদকে অ-উৎপাদনশীল করে তোলে এবং সমাজের দরিদ্র ও অভাবী মানুষের উপর জুলুম করে। এর ফলে সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক দুর্বল হয়। আল্লাহ তায়ালা সুদকে হারাম করেছেন মানুষের কল্যাণার্থে এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ 📄 সুদের প্রকারভেদ

📄 সুদের প্রকারভেদ


সুদ মূলত দুই প্রকারের: ১. রিবা আল-ফাদল (অতিরিক্ত সুদ): একই ধরনের জিনিসের বিনিময়ে অতিরিক্ত গ্রহণ করা। ২. রিবা আন-নাসিয়া (বিলম্বিত সুদ): ঋণের উপর মেয়াদের কারণে অতিরিক্ত গ্রহণ করা।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ 📄 বিশ্বজনীন সুদ

📄 বিশ্বজনীন সুদ


বিশ্বজনীন সুদ হলো, একই ধরনের বস্তু বা মুদ্রার বিনিময়ে অতিরিক্ত গ্রহণ করা। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ এক কেজি গম দিয়ে এক কেজি ১০০ গ্রাম গম গ্রহণ করে, তাহলে অতিরিক্ত ১০০ গ্রাম গম সুদ বলে গণ্য হবে। এ ধরনের সুদ হারাম। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "একই ধরনের বস্তুর বিনিময়ে অতিরিক্ত গ্রহণ করা সুদ।" (বুখারি, মুসলিম)
এ হাদিস থেকে জানা যায়, বিশ্বজনীন সুদ হারাম।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ 📄 বুদ্ধিজনিত সুদ

📄 বুদ্ধিজনিত সুদ


বুদ্ধিজনিত সুদ হলো, ঋণের উপর মেয়াদের কারণে অতিরিক্ত গ্রহণ করা। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ ১০০ টাকা ঋণ নিয়ে এক মাস পর ১০৫ টাকা পরিশোধ করে, তাহলে অতিরিক্ত ৫ টাকা সুদ বলে গণ্য হবে। এ ধরনের সুদ হারাম। আল্লাহ তায়ালা বলেন:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
অর্থ: "হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সুদের যা কিছু বাকি আছে, তা ত্যাগ করো, যদি তোমরা মুমিন হও।" (সূরা বাকারা: ২৭৮)
এ আয়াত থেকে জানা যায়, বুদ্ধিজনিত সুদ হারাম।

ফন্ট সাইজ
15px
17px