📄 জুমুয়ার আযানের সময় বিক্রয়
ওয়াক্তিয়া নামাযের সময় যখন সংকীর্ণ হয়ে আসে এবং যখন জুমুয়ার আযান হয় তখন বিক্রয় হারাম। ইমাম আহমদের মতে এই বিক্রয় অশুদ্ধ। আল্লাহ বলেছেন: يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِن يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَى ذِكْرِ اللَّهِ وَذَرُوا الْبَيْعَ ذَلِكُمْ خَيْرٌ لكُمْ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
'হে মু'মিনগণ! জুমুয়ার দিন যখন নামাযের আহবান জানানো হয় তখন আল্লাহ্র স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় পরিত্যাগ করো। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর যদি তোমরা জানতে।' (জুমুয়া: ৯)।
জুমুয়ার ব্যাপারে এ নিষেধাজ্ঞার স্বাভাবিক দাবি এই যে, নিষেধাজ্ঞা লংঘনপূর্বক যে বিক্রয় সম্পন্ন হবে তা অশুদ্ধ হবে। অন্যান্য নামাযকেও এরই আলোকে বিচার করতে হবে।
📄 তাবলিয়া, মুরাবাহা ও ওয়ালিয়া বৈধতা
তাওলিয়া, মুরাবাহা ও ওয়াযিয়ার বৈধতা: তাওলিয়া, মুরাবাহা ও ওয়াযিয়া এই তিন ধরনের বিক্রয় বৈধ। তবে শর্ত এই যে, ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের নিকট পণ্যের ক্রয় মূল্য জ্ঞাত থাকা চাই। তাওলিয়া হচ্ছে পণ্যকে আসল ক্রয়মূল্যে কোনো লাভ-লোকসান ছাড়া বিক্রয় করা। আর মুরাবাহা হলো ক্রয় মূল্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভসহ বিক্রয় করা। আর ওয়াযিয়া হলো ক্রয়মূল্যের চেয়েও কম মূল্যে বিক্রয় করা।
📄 কুরআন শরীফ ক্রয় ও বিক্রয়
সকল ফকীহ একমত যে, কুরআন মজীদ ক্রয় করা বৈধ। কিন্তু বিক্রয় করা বৈধ কিনা তা নিয়ে মতভেদ আছে। হাম্বলীদের মতে বিক্রয় অবৈধ। অবশিষ্ট তিন মযহাবে বৈধ। ইমাম আহমদ বলেন: কুরআন শরীফ বিক্রয়ে আমি কোনো বৈধতা পাই না।
📄 মক্কার ঘরবাড়ি বিক্রয় ও ভাড়া দেয়া
ইমাম আওয়ায়ি, ইমাম সাওরি, ইমাম মালেক, ইমাম শাফেয়ি ও ইমাম আবু হানিফার মতে এটা বৈধ।