📄 প্রতারণাপূর্ণ বিক্রয়
প্রতারণাপূর্ণ বিক্রয়: প্রতারণাপূর্ণ বিক্রয় বলতে এমন যে কোনো বিক্রয়কে বুঝায়, যাতে কোনো অজ্ঞতা, ঝুঁকি অথবা কোনো ধরনের জুয়া নিশ্চিত থাকে। ইমাম নববী বলেছেন: প্রতারণাপূর্ণ বিক্রয় নিষিদ্ধ করা শরিয়তের অন্যতম মূলনীতি। এর আওতায় বহুসংখ্যক বিধি রয়েছে। তবে দুটো জিনিস প্রতারণাপূর্ণ বিক্রয়ের আওতা বহির্ভূত:
প্রথমত যা বিক্রীত পণ্যের অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং তা আলাদা করলে পণ্যের বিক্রয় শুদ্ধ হয়না, যেমন ভবনের সাথে ভবনের ভিত্তি বিক্রয় এবং জন্তু বিক্রয়ের সাথে তার ওলানের দুধ বিক্রয়।
দ্বিতীয়ত যা সাধারণত ধর্তব্য মনে করা হয় না এবং উপেক্ষা করা হয়। কারণ হয় তা অতি ক্ষুদ্র ও নগণ্য, নতুবা তা মূল পণ্য থেকে পৃথক করে বাছাই করা বা নির্দিষ্ট করা কষ্টকর। যেমন নির্দিষ্ট ফি দিয়ে গণ শৌচাগারে প্রবেশ করা, যদিও সেখানে বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন পরিমাণ সময় ও পানি ব্যয় করে (এ ক্ষেত্রে ব্যয়িত সময় ও পানির পরিমাণ ভেদে ফিতে কমবেশি করা সম্ভব নয়।) অনুরূপ সংরক্ষিত খাবার ও তুলা মিশ্রিত জুব্বা বিক্রয়। যে সকল ক্ষেত্রে প্রতারণা সংঘটিত হয়, শরিয়ত তার কিছু বিবরণ দিয়েছে। জাহেলি যুগের কয়েকটি রীতি এখানে উল্লেখ করা হলো:
📄 পাথর ছুড়ে জমির আয়তন নির্ধারণপূর্বক বিক্রয় নিষিদ্ধ
১. পাথর ছুঁড়ে জমির আয়তন নির্ধারণপূর্বক বিক্রয় নিষিদ্ধ: জাহিলী যুগের লোকেরা যে জমির আয়তন নির্ধারিত নেই, পাথর নিক্ষেপের মাধ্যমে তার আয়তন নির্ণয় করে বিক্রয় করতো, নিক্ষিপ্ত পাথর যেখানে গিয়ে পড়তো, সেখানেই চিহ্নিত হতো বিক্রীত জমির শেষ সীমা। কখনো বা পণ্য ক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট করতে পাথর ছুঁড়ে মারা হতো। যে পণ্যটির উপর পাথর পড়তো, সেটি ক্রয় করা হতো। একে বলা হতো পাথর ছুঁড়ে বিক্রয়।
📄 চতুষ্পদির স্তনের বিক্রয় নিষিদ্ধ
৩. জন্তুর পেটের বাচ্চা বিক্রয় নিষিদ্ধ: গবাদি পশুর গর্ভস্থ সন্তান প্রসবের আগেই বিক্রয় করা এবং তার ওলানের মধ্যে থাকা দুধ বিক্রয় করাও নিষিদ্ধ।
📄 জন্তুর পেটের বাচ্চা বিক্রয় নিষিদ্ধ
৩. জন্তুর পেটের বাচ্চা বিক্রয় নিষিদ্ধ: গবাদি পশুর গর্ভস্থ সন্তান প্রসবের আগেই বিক্রয় করা এবং তার ওলানের মধ্যে থাকা দুধ বিক্রয় করাও নিষিদ্ধ।