📄 নিরাপত্তা দানের ক্ষমতা কার কার আছে
নিরাপত্তা দানের ক্ষমতা কার কার আছে:
নিরাপত্তা দানের ক্ষমতা মুসলিম শাসক, মুসলিম সেনাবাহিনীর প্রধান, মুসলিম সেনাপতি এবং প্রত্যেক মুসলিম নাগরিকের রয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “মুসলিমরা সবাই একে অপরের অভিভাবক।” (বুখারি, মুসলিম)
📄 নিরাপত্তা দানের ফল
নিরাপত্তা দানের ফল:
নিরাপত্তা দানের ফল হলো, যাকে নিরাপত্তা দেয়া হয়েছে, তার জান, মাল ও ধর্ম মুসলিমদের জন্য বৈধ হবে না। মুসলিমরা তাকে হত্যা করতে পারবে না বা তার মাল লুণ্ঠন করতে পারবে না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি একজন মুসলিমের নিরাপত্তা চুক্তি লঙ্ঘন করবে, তার জন্য জান্নাতের ঘ্রাণ হারাম।” (বুখারি)
📄 নিরাপত্তা বা আশ্রয় দানের অধিকার কখন কার্যকর হয়
নিরাপত্তা বা আশ্রয় দানের অধিকার কখন কার্যকর হয়:
নিরাপত্তা বা আশ্রয় দানের অধিকার তখন কার্যকর হয়, যখন মুসলিমরা যুদ্ধরত কাফিরদের কাছ থেকে কোনো ব্যক্তিকে নিরাপত্তা দেয়। এ ব্যাপারে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ইমাম আবু হানিফা, আহমদ, মালেক ও তাদের শিষ্যরা বলেন, নিরাপত্তা দানের অধিকার তখন কার্যকর হয়, যখন মুসলিমরা যুদ্ধরত কাফিরদের কাছ থেকে কোনো ব্যক্তিকে নিরাপত্তা দেয়। ইমাম শাফেয়ী বলেন, নিরাপত্তা দানের অধিকার তখন কার্যকর হয়, যখন মুসলিমরা যুদ্ধরত কাফিরদের কাছ থেকে কোনো ব্যক্তিকে নিরাপত্তা দেয় এবং সে মুসলিম রাষ্ট্রে প্রবেশ করে।
📄 দলগতভাবে নিরাপত্তা দান
দলগতভাবে নিরাপত্তা দান:
দলগতভাবে নিরাপত্তা দান জায়েয। এ ব্যাপারে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ইমাম আবু হানিফা, আহমদ, মালেক ও তাদের শিষ্যরা বলেন, জায়েয। ইমাম শাফেয়ী বলেন, জায়েয নয়।