📄 ফাইয়ের বন্টন ও বিতরণ
ফাইয়ের বন্টন ও বিতরণ:
ফাই হলো সেই সম্পদ, যা যুদ্ধ ব্যতিত কাফিরদের কাছ থেকে মুসলিমরা লাভ করে। যেমন, কাফিররা স্বেচ্ছায় মুসলিমদেরকে যা দেয় অথবা যে সম্পদ তারা যুদ্ধে ফেলে রেখে যায়। ফাইয়ের বন্টন ও বিতরণ গনিমতের বন্টন ও বিতরণের চেয়ে ভিন্ন। আল্লাহ তায়ালা বলেন:
مَا أَفَاءَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ مِنْ أَهْلِ الْقُرَى فَلِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ وَلِذِي الْقُرْبَى وَالْيَتَامَى وَالْمَسَاكِينِ وَابْنِ السَّبِيلِ كَيْ لَا يَكُونَ دُولَةً بَيْنَ الْأَغْنِيَاءِ مِنكُمْ وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ
অর্থ: “আল্লাহ জনপদবাসীদের কাছ থেকে তাঁর রাসূলকে যা ফাই হিসেবে দিয়েছেন, তা আল্লাহর জন্য, রাসূলের জন্য, নিকটাত্মীয়দের জন্য, এতিমদের জন্য, মিসকিনদের জন্য এবং পথিকদের জন্য। যাতে তোমাদের ধনীদের মধ্যে কেবল আবর্তিত না হয়। রাসূল তোমাদের যা দেন, তা গ্রহণ করো এবং যা থেকে নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাকো। আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।” (সূরা হাশর: আয়াত ৭)
এই আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে, ফাইয়ের বন্টন ও বিতরণ আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী হবে। এর এক-পঞ্চমাংশ আল্লাহর জন্য, রাসূলের জন্য, নিকটাত্মীয়দের জন্য, এতিমদের জন্য, মিসকিনদের জন্য এবং পথিকদের জন্য রাখা হবে। অবশিষ্ট চার-পঞ্চমাংশ মুসলিম রাষ্ট্রের কোষাগারে জমা হবে।