📘 Biggan moy quran > 📄 Life of Earth

📄 Life of Earth


Life of Earth

وَآيَةٌ لَّهُمُ الْأَرْضُ الْمَيْتَةُ أَحْيَيْنَاهَا
And the dead earth is a sign for them, We give life to it
তাদের জন্য একটি নিদর্শন মৃত ভূমি, আমরা তাকে জীবন দান করি। (ইয়াসিন-৩৩)

পানির এক নাম জীবন (Life)। জীবন বলতে আমরা বুঝি যার প্রাণ আছে; কাজ করার ক্ষমতা আছে; খাদ্য গ্রহণ করে এবং বর্ধিত হয়। মানুষ, পশু-পাখি, জীব-জন্তু, কীট-পতঙ্গ, বৃক্ষ-তরুবৃক্ষ প্রভৃতি জীবনধারী সৃষ্টি, যাদের প্রাণ আছে। খাদ্য গ্রহণ করে, কাজ করার ক্ষমতা রাখে এবং বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। কিন্তু মাটিরও কি জীবন আছে?

সূর্যের তীব্র তেজোদীপ্ত রোদে মাটির শেষ জলবিন্দু যখন বাষ্পীভূত হয়ে উবে যায় তখন যমীন থেকে একটি খাঁ খাঁ হাহাকার ধ্বনি উত্থিত হয়। এ সময়ে বীজ বপন করলে অঙ্কুরোদগম ঘটে না। বৃক্ষ ও ক্ষেতের ফসলে সতেজ ভাব থাকে না। বায়ু প্রবাহে সন্তাপ বিরাজ করে। ভূ-পৃষ্ঠে কান লাগিয়ে শুনলে উপলব্ধি করা যায় মাটির প্রাণহীন আড়ষ্টতা। এহেন অবস্থায় যখন আকাশ থেকে বৃষ্টি নামে, পৃথিবী নবজীবন ফিরে পায়। তার চেহারায় সতেজ ভাব ফুটে ওঠে। চারিদিকে বৃক্ষ, তরুলতা নব উদ্দীপনায় ঝলমল করে। কারণ বৃষ্টিধারার সাথে নেমে আসে অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, নাইট্রেট। মাটির উপাদান সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, প্রভৃতির সাথে মিশে প্রস্তুত করে বৃক্ষরাজি ও ফসলের খাবার। ফলে ভূপৃষ্ঠের জীবনী শক্তি, তার উর্বরতা পরিপুষ্ট হয়ে ওঠে। এ বিষয়টি সাধারণ মানুষ উপলব্ধি করতে না পারলেও ভূ-বিজ্ঞানীরা ও জ্ঞানী লোকেরা উপলব্ধি করতে সক্ষম হন। তাই আল্লাহ পাক বলছেন,

وَأَنْزَلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً طَهُورًا لِّتُحْيِيَ بِهِ بَلْدَةً مَّيْتَةً وَنُسْقِيَهُ مِمَّا خَلَقْنَا أَنْعَامًا وَأَنَاسِيَ كَثِيرًا
And We send down pure water from the sky so that We may thereby give life to a dead land and give it for drink to our creations,-- cattle and men in great numbers.
আমরা আকাশ থেকে বিশুদ্ধ বারি বর্ষণ করি যাতে নির্জীব ভূমি সজীব হয়ে উঠে এবং আমাদের সৃষ্ট বহুসংখ্যক প্রাণী ও মানুষ তৃষ্ণা নিবারণ করতে পারে। (ফোরকান-৪৮,৪৯)

وَمِنْ آيَتِهِ أَنَّكَ تَرَى الْأَرْضَ خَاشِعَةً فَإِذَا أَنْزَلْنَا عَلَيْهَا الْمَاءَ اهْتَزَّتْ وَرَبَتْ إِنَّ الَّذِي أَحْيَاهَا لَمُحْيِ الْمَوْتَى إِنَّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
Among His signs in this, that you see the earth withered but when We send down water on it, it stirs and swells. Surely He Who gives life to the dead earth, can surely give life to men who are dead. truly He has power over everything.
তাঁর বিধানের মধ্যে একটি নিদর্শন এ যে, তোমরা ভূমিকে দেখবে অনুর্বর পড়ে আছে। অতঃপর আমরা যখন তার উপর বৃষ্টি বর্ষণ করি তখন সে শস্যশ্যামল ও স্ফীত হয়। নিশ্চয়ই যিনি একে জীবিত করেন তিনি জীবিত করবেন মৃতদেরকেও। আসল কথা হচ্ছে, তিনি প্রত্যেক বিষয়ের উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান। (হামীম-৩৯)

وَمَا أَنْزَلَ اللَّهُ مِنَ السَّمَاءِ مِنْ رِزْقِ فَأَحْيَا بِهِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا .
And the provision that Allah sends from the sky to enliven the earth after its death.
আল্লাহ তাআলা আকাশ থেকে যে রিযিক (বৃষ্টি) সরবরাহ করেন তাতে মৃত ভূ-পৃষ্ঠ জীবন লাভ করে। (জাসিয়া-৫)

فَانْظُرْ إِلَى أَثْرِ رَحْمَتِ اللَّهِ كَيْفَ يُحْيِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا .
Look therefore at the marks of Allah's mercy how He enlivens the earth after it is dead.
অতএব, আল্লাহর করুণার ফলাফল দেখ কিভাবে তিনি মৃত্তিকার মৃত্যুর পর তাকে জীবিত করেন। (রোম-৫০)

আকাশ থেকে আল্লাহপাক যে বৃষ্টি বর্ষণ করেন সে বর্ষণ একটানা বেশ কিছু ঘটনার উদ্ভব ঘটায়। কয়েকটি তাৎপর্যপূর্ণ দৃষ্টান্তের সাহায্যে সেগুলোকে তুলে ধরা যায়।

একটানা পানি সরবরাহ না থাকার কারণে যে খরার সৃষ্টি হয় সে খরার ফলে ভূমি ও গাছ-পালা পানিশূন্য হয়ে পড়ে। আয়াতসমূহে পানির অণুশূন্য জমিনকে বলা হয়েছে মৃত পৃথিবী (dead earth)। আর যখন বৃষ্টিধারা নেমে আসে তখন বীজের অঙ্কুরোদগম শুরু হয়। ফলে মৃত্তিকার মধ্যে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে। আর একেই বলা হয় পৃথিবীর নতুন জীবন লাভ। বীজের ফলশ্রুতিতে গাছপালা জন্মায় এবং পরিশেষে বৃক্ষরাজি ফুলে ফলে সুশোভিত হয়ে ওঠে। মৃত্তিকার প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর উপর বৃষ্টির পানি গভীর প্রভাব ফেলে। মৃত্তিকার বৈশিষ্ট্যগুলো যথা, PH (a measure of hydrogen ion concentration), মৃত্তিকার কার্যাবলী, পশু-পাখি ও ফল-মূল, মাটির মিশ্রণ ও গঠন এবং মাটির সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ। এ ছিদ্রপথ গাছপালার শিকড়ের তলদেশে প্রবেশের পক্ষে অনুকূল পরিবেশ প্রদান করে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে মাটিতে গাছপালা জন্মানোর পক্ষে সহায়ক উপাদানগুলোর মধ্যে পানি একটি অপরিহার্য বেসিক-উপাদান। পৃথিবীর বৃষ্টিপাতের পরিসংখ্যান তালিকায় দেখা যায় ক্রান্তীয় আদ্র অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে এ অঞ্চলে গভীর সবুজ বনাঞ্চল গড়ে ওঠেছে। যে অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত হয় কিংবা কয়েক বছর ধরে বৃষ্টিপাত হয় না সেখানে খাঁ খাঁ খরা দেখা দেয়। যে-ই মাত্র বৃষ্টিধারা নেমে আসে অমনি বন্ধ্যা মরুভূমির বুকে জীবন জেগে ওঠে। কারণ এ সময় দীর্ঘ ঘুমে ঘুমন্ত বীজগুলো অঙ্কুরিত হয়ে ওঠে এবং শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে ফুলে ফুলে ভরে ওঠে।

শুষ্ক মরুভূমির বুকে নতুন বীজের জন্ম হয় এবং বীজগুলো মাটির বুকে নেতিয়ে থাকে। আর গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে থাকে পরবর্তী বৃষ্টিপাতের জন্য। ঐ বীজগুলো তাদের শক্ত কঠিন আবরণের সহায়তায় দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখে যতদিন না বাইরের আবহাওয়া তাদের বেড়ে ওঠার মত যথাযথ অবস্থার সৃষ্টি করে। অর্থাৎ বৃষ্টিধারার সঞ্চার হয়। বীজপত্রগুলো বৃষ্টির পানি পান করার পর প্রোটোপ্লাজম পুনঃকর্মক্ষম হয়ে ওঠে। পানির সমন্বয় ও কার্যকারিতা এবং এনজাইমের কারণে বীজের মধ্যে যে খাদ্য উপাদানগুলো সঞ্চিত থাকে সেগুলো ভেঙ্গে গিয়ে শক্তি উদ্‌গীরণ করে এবং ভ্রূণের মধ্যকার কোষগুলো বড় হতে থাকে এবং বিভক্ত হয়ে পড়ে। চারাগাছের প্রথম অংশ হলো মূল। মূল মাটির নিচে পানির সন্ধান করে। মাটিতে পানির অভাবহেতু অঙ্কুরোদগম ক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে কিংবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

ভূমির উপর পতিত বৃষ্টিকণার সাথে মৃত্তিকার গাঠনিক বিক্রিয়া বড় ধরনের উলট-পালট রূপান্তর ঘটায় যার ফলে কিছু বীজ নিচ থেকে উপরের স্তরে ওঠে আসে এবং এখানে এরা প্রচুর অক্সিজেন পায়। এর ফলে অতি অল্প সময়ে অঙ্কুরোদগম সম্ভবপর হয়। এভাবে ঘন বৃষ্টিপাত ঐ বীজগুলোকে জাগিয়ে তোলে যেগুলো শুষ্ক মৌসুমে ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে। জেগে ওঠা বীজের বুক থেকে বেরিয়ে আসে অসংখ্য চারাগাছ। বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ার সাথে সাথে আর একটি অবিচ্ছিন্ন ঘটনার জয়যাত্রা শুরু হয়। তাহলো পাহাড়ের কোলে ও উপত্যকায় সবুজ সতেজ ঘাস সমৃদ্ধ চারণভূমির উদ্ভব। এ চারণভূমিগুলো গরু, মহিষ, ছাগল, মেষ প্রভৃতি গবাদি পশুদের ভীষণভাবে আকৃষ্ট করে। এর ফলে খাদ্যের সন্ধানে তাদের দলবদ্ধ অভিযাত্রা শুরু হয়। অন্যান্য তৃণভোজী প্রাণীদের ক্ষেত্রেও এ অবস্থা ঘটে।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গেই প্রকৃতির দৃশ্যপটের দ্রুত পরিবর্তন সাধিত হয়। মৃত-আড়ষ্ট ধরণী নবীন সবুজ ঘাসে সজীব হয়ে জেগে ওঠে। যদি আমাদের বোধশক্তি থাকে তাহলে আমরা উপলব্ধি করতে পারবো যে, এসব কর্মের মধ্যে সুমহান আল্লাহ তাআলার অসীম জ্ঞানের সুস্পষ্ট প্রমাণ বিদ্যমান।

📘 Biggan moy quran > 📄 পানির ঘূর্ণন প্রকৃতি

📄 পানির ঘূর্ণন প্রকৃতি


পানির ঘূর্ণন প্রকৃতি

সব সমুদ্রের মোট পানির পরিমাণ পৃথিবীর আয়তনের তুলনায় কম হলেও আমাদের কাছে বিস্ময়ের বিষয়। প্রায় ১৩৭ কোটি ঘন কিলোমিটার পানি (137,00,00,000 km³) আর তা পৃথিবীর পিঠে মাত্র ৫ কিলোমিটার পুরু পানির স্তর তৈরী করেছে। এ বিশাল আয়তনের পানির ভান্ডার, সাগর-মহাসাগরে, নদ-নদীতে, খাল-বিলে, বায়ুমন্ডলে এবং ভূ-গর্ভের বিভিন্ন স্তরে পাক খাচ্ছে। সাগর, মহাসাগরের পানি বাষ্পীয়ভবনের মাধ্যমে উপরে ওঠে এবং জলীয় কণায় ঘনীভূত হয়ে মেঘ তৈরী করে। এরপর বৃষ্টিধারায় ভূ-পৃষ্ঠে নেমে আসে। বৃষ্টির পানি কিছু পরিমাণ ভূ-গর্ভে সংরক্ষিত হয়। অবশিষ্ট পানি নদ-নদীর দিকে প্রবাহিত হয়। ভূ-গর্ভের পানি বিশুদ্ধ এবং গভীর নলকূপের মাধ্যমে উত্তোলন করে মানুষ তা স্বাচ্ছন্দে পান করে। পানির ঘূর্ণন চক্রের মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা সাগর মহাসাগরের লবণাক্ত ও ক্ষারযুক্ত পানি বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় পরিশুদ্ধ করে উপরে তোলেন, যার মধ্যে কোন প্রকার আবর্জনা ও জীবাণু থাকতে পারে না। যাকে বলা হয় পাতিত পানি। এভাবে সৃষ্টির শুরু থেকে সমগ্র পানি আকাশ ও যমীনের মধ্যে চক্রাকারে ঘুরছে। তার কোন ক্ষয় নেই, ধ্বংস নেই। তবে রূপান্তর আছে। পৃথিবীতে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে বিভিন্ন অঞ্চলের তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটে। তাই কোন অঞ্চলের তাপমাত্রা ০ ডিগ্রী সেলসিয়াস থেকে যখন মাইনাসের দিকে যায় তখন সে অঞ্চলের সমস্ত পানি বরফে পরিণত হয়। আবার যে অঞ্চলের তাপমাত্রা ১০০° সেলসিয়াসে উঠে, সে অঞ্চলের পানি বাষ্পে পরিণত হয়। সাগর-মহাসাগর থেকে প্রতি বছর অন্তত ৩২০,০০০ km³ পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উড়ে যায় ৬০,০০০ km³। তাহলে মোট ৩৮০,০০০ km³ পানি প্রতি বৎসর বাষ্পে পরিণত হয়। কিন্তু তার মধ্য থেকে ২৮৪,০০০ km³ পানি সাগর মহাসাগরে পুনরায় ফিরে আসে। বাকী ৯৬,০০০ km³ পানি ঝর্ণাধারায় সাগরে গিয়ে পড়ে। এভাবে আকাশ ও যমীন ব্যাপী পানির ঘূর্ণন প্রক্রিয়া চলে।

পানির ঘূর্ণন প্রকৃতি সম্পর্কে আল-কোরআন বলছে,
وَأَنْزَلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً بِقَدْرٍ فَاسْكَنْهُ فِي الْأَرْضِ وَإِنَّا عَلَى ذَهَابِهِ لَقَدِرُونَ
And We send down water from the sky according to some known measure and We store it also in the earth and surely We are able to drain it off.
আমরা আকাশ থেকে বারি বর্ষণ করি পরিমিতভাবে। অতঃপর তা যমীনে সংরক্ষণ করি। আমরা তা আবার অপসারণ করতেও সক্ষম। (মুমিনুন-১৮)

أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ أَنْزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَسَلَكَهُ يَنَابِيعُ فِي الْأَرْضِ
See you not that Allah sends down rain from the sky and leads it through springs in the earth?
তোমরা কি দেখ না যে, আল্লাহ আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তা যমীনে ঝর্ণাধারায় প্রবাহিত করেন। (যুমার-২১)

وَهُوَ الَّذِي أَرْسَلَ الرِّيحَ بُشْرًا بَيْنَ يَدَى رَحْمَتِهِ وَأَنْزَلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً طَهُورًا . لِنُحْيِ بِهِ بَلْدَةً مَيْتًا وَنُسْقِيَهُ مِمَّا خَلَقْنَا أَنْعَامًا وَأَنَاسِي كَثِيرًا . وَلَقَدْ صَرَفْنَهُ بَيْنَهُمْ لِيَذَّكَّرُوا فَأَبَى أَكْثَرُ النَّاسِ إِلَّا كُفُورًا .
And He it is Who sends the winds as heralds of glad tidings going before His mercy and We send down pure water from the sky.
That with We may give life to a dead land and slake the thirst of things We have created-cattle and men in great numbers.
And We have distributed the water among them, in order to that they may celebrate Our praises but most men are averse to aught but rank ingratitude.
তিনি আল্লাহ, যিনি সুসংবাদবাহী বায়ু প্রেরণ করেন রহমত স্বরূপ এবং আকাশ থেকে বিশুদ্ধ বারি বর্ষণ করেন।
তা দ্বারা মৃত ভূমিকে সঞ্জীবিত করেন এবং সৃষ্টিকুলের জীবজন্তু ও বহুসংখ্যক মানুষের তৃষ্ণা নিবৃত্ত করেন। এবং আমাদের বর্ষিত বারি আমরা বিভিন্নভাবে বিতরণ করি। যাতে তারা আমাদের মহিমা প্রচারে মশগুল থাকে। কিন্তু অধিকাংশ লোক অকৃতজ্ঞতা ছাড়া কিছুই করে না। (ফুরকান-৪৮-৫০)

قُلْ أَرَيْتُمْ إِنْ أَصْبَحَ مَا كُمْ غَوْرًا فَمَنْ يَاتِيْكُمْ بِمَاءٍ مَعِينٍ.
Say, tell me if all your water were to disappear who then will bring you clear flowing water?
আচ্ছা বলতো, যদি সমস্ত পানি তোমাদের নাগালের বাইরে অপসারিত করি তবে কে তোমাদের এনে দিতে পারে সে পানির প্রবাহ? (মুলক-৩০)

ভূ-গর্ভস্থ পানির প্রবাহ হ্রাস পেলে গভীর নলকূপ দ্বারাও পানির নাগাল পাওয়া যায় না। আল্লাহ তা'আলা উপরোক্ত আয়াতসমূহে পানির ঘূর্ণন প্রক্রিয়ার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। তা খুবই স্পষ্ট এবং প্রমাণিত সত্য।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00