📄 Lunar station
পৃথিবীর কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করতে চাঁদের মোট সময় লাগে ২৭ দিন ৩ ঘণ্টা। এই পরিক্রমণকালে চাঁদের কক্ষপথে অবস্থিত কতগুলো নির্দিষ্ট তারকাকে অতিক্রম করতে হয়। তাই চাঁদের কক্ষপথ (Lunar orbit) ২৭টি অক্ষাংশে বিভক্ত। এসব বিভক্ত অক্ষাংশগুলোকে বলা হয় Lunar Stations বা চাঁদের মঞ্জিল। Lunar stations অতিক্রম করার সময় তাকে আমরা ক্রমহ্রাস ও ক্রমবৃদ্ধি হতে দেখি। যার ফলে তারিখ ও মাস গণনা করা সহজ হয়েছে। দুটি অমাবস্যা (Two New moons) ও দুটি পূর্ণিমার (Two full moons) উপর ভিত্তি করে চন্দ্রমাস, বছর নির্ণয় করা হয়। Lunar stations সম্পর্কে আল-কোরআন বলছে।
وَالْقَمَرَ قَدَرْنَهُ مَنَازِلَ حَتَّى عَادَ كَالْعُرْجُونِ الْقَدِيمِ
And the moon We have measured for her manzils (to traverse) till she returns like the old lower part of a date stalk.
চাঁদের জন্য মঞ্জিলসমূহ (Lunar stations) নিরূপণ করে রাখা হয়েছে যতক্ষণ না সে পুরাতন খেজুর শাখার ন্যায় ক্ষীণ হয়ে ফেরে। (ইয়াসীন-৩৯)
প্রশ্ন: টেলিভিশনের দৃশ্য দেখার মাঝে নারী কর্তৃক অপরিচিত পুরুষকে এবং পুরুষ কর্তৃক অপরিচিত নারীকে দেখার বিধান কী?
উত্তর: বৈধ নয়। কারণ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে টেলিভিশনে নারীদের মধ্য থেকে যা প্রকাশ পায়, তা হলো সৌন্দর্য প্রদর্শন ও তাদের কিছু সংবেদনশীল গোপন অঙ্গ, আর পুরুষদের মধ্য থেকেও অনুরূপ সৌন্দর্য ও সাজগোজ প্রকাশ হয়, এটা অধিকাংশ সময় ফিতনাও ফ্যাসাদের উস্কানিদাতা।
স্থায়ী ফতোয়া বোর্ড
📄 চাঁদের টানে জোয়ার ভাঁটা
চাঁদের টানে জোয়ার ভাঁটা
পৃথিবীতে নদী সমুদ্রে জোয়ার-ভাঁটা ঘটে চাঁদের আকর্ষণে। চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে অবিরাম ঘুরছে। এ ঘূর্ণনের সময় পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের সম্মুখে পড়ে সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশী হয়। স্থলভাগ অপেক্ষা জল ভাগের উপর চাঁদের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশী বলে চারিদিক থেকে পানি ঐ আকর্ষণ স্থানের দিকে প্রবাহিত হয়। ফলে চন্দ্রের কাছাকাছি অংশের পানি ফুলে ওঠে এবং জোয়ার সৃষ্টি করে। এ জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বলে। আবার ঠিক ঐ সময়ে পৃথিবীর যে অংশে চন্দ্রের টানে মুখ্য জোয়ার ঘটে তার বিপরীত দিকের পানি অপেক্ষা পানির নীচের স্থলভাগ চন্দ্রের দিকে বেশী আকৃষ্ট হয়। এ সময় এই পানির উপর পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং বিকর্ষণ শক্তির প্রভাবে চারিদিকের পানিরাশি সে স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে গৌণ জোয়ার বলে।
যখন পৃথিবীর কোন অংশে মুখ্য জোয়ার আসে তখন তার বিপরীত অংশে গৌণ জোয়ার হয়। সে সময় কিন্তু এ জোয়ারের মধ্যবর্তী দু'পাশের স্থান থেকে পানি সরে যায়। এ দু'স্থানে তখন ভাটা হয়। পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের কাছাকাছি আসে সে-ই অংশে এবং তার ঠিক বিপরীত অংশে জোয়ার ও ভাটা হয়। সে কারণে প্রতিদিন পৃথিবীর প্রত্যেক স্থানে দু'বার জোয়ার ও দু'বার ভাটা হয়।
সূর্যও জোয়ার ভাটা সৃষ্টি করে থাকে। অমাবশ্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একদিকে ও একই লাইনে অবস্থান করে। সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের তুলনায় কম হলেও উভয়ের মিলিত আকর্ষণ খুব প্রবল হয়। এ মিলিত আকর্ষণের ফলে যে জোয়ার হয়, তাতে পানি খুব বেশী ফুলে ওঠে। এরূপ জোয়ারকে ভরা কঠাল বা তেজ কঠাল (Spring tides) বলে। যখন চাঁদ ও সূর্য ৯০° দূরত্বে অবস্থান করে তখন সর্বনিম্ন ভাটা হয়। এভাবে ভাটা হওয়াকে বলা মরা কঠাল (Neap tides)।
নদী বা সমুদ্রের জোয়ার ভাটা আমাদের জন্য বিশেষ কল্যাণ বয়ে আনে। যেমনঃ
১। জোয়ার ভাঁটার দরুন বড় বড় বাণিজ্যিক জাহাজ বন্দরে গমনাগমন করতে পারে অতি সহজে।
২। জোয়ার ভাঁটার দরুন নদীতে স্রোত সৃষ্টি হয়। এর ফলে নদীর আবর্জনা সমুদ্রে বয়ে নিয়ে যায় এবং পানি নির্মল থাকে।
৩। জোয়ার ভাঁটার দরুন নদীতে তলানি জমতে পারে না। আর নদীও ভরাট হয় না।
৪। জোয়ার ভাঁটায় নদীর পানি লবণাক্ত হয়। যার কারণে পানি ঘনত্ব বেড়ে যায় এবং পানি সহজে বরফে পরিণত হয় না।
সুতরাং চাঁদ ও সূর্যের প্রভাবে সংঘটিত জোয়ার ভাটা করুণাময় আল্লাহর অশেষ রহমতের বহিঃপ্রকাশ।
وَجَعَلْنَا الَّيْلَ وَالنَّهَارَ آيَتَيْنِ فَمَحَوْنَا آيَةَ الَّيْلِ وَجَعَلْنَا آيَةَ النَّهَارِ مُبْصِرَةً لِتَبْتَغُوا فَضْلًا مِنْ رَبِّكُمْ.
We have appointed the night and the day as two signs. Then We have obliterated the sign of the night while we have made the sign of the day illuminating that you seek bounty from your Lord.
আমরা রাত ও দিনকে দু'টি নিদর্শন করেছি। অতঃপর রাতের নিদর্শন নিষ্প্রভ করে দিয়েছি এবং দিনের নিদর্শনকে দেখার উপযোগী করেছি। যাতে তোমরা তোমাদের প্রভুর অনুগ্রহ অন্বেষণ করতে পার। (বনী ইসরাইল-১২)
প্রশ্ন: পত্রিকা, ম্যাগাজিন ও অন্য কোথাও নারীদের ছবির দিকে তাকানোর বিধান কী?
উত্তর: মুসলিম ব্যক্তির জন্য নারীদের চেহারার দিকে এবং তাদের অভ্যন্তরীণ কোনো কিছুর দিকে তাকোনোর (শরী'আত সম্মত) কোনো সুযোগ নেই -এ ধরনের সুযোগ পত্র-পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে যেমন নেই, ঠিক সে সুযোগ অন্য কোথাও নেই। কারণ, এতে ফিতনার যাবতীয় কারণ বিদ্যমান রয়েছে; বরং তার জন্য আবশ্যক হলো তার দৃষ্টিকে এর থেকে অবনমিত করা, যাতে এর থেকে বারণকারী শরী'আতের দলীলসমূহের ব্যাপক ভিত্তিক আমল হয় এবং সাথে ফিতনার আশঙ্কাটিও মনে থাকে, অনুরূপভাবে সে তাদের থেকে রাস্তা-ঘাটে ও অন্যান্য জায়গায়ও তার দৃষ্টিকে অবনমিত রাখবে, আর আল্লাহর কাছেই তাওফীক চাই।
শাইখ আবদুল 'আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায
📄 সময়ের একক নির্ধারণে সহায়ক
সময়ের একক নির্ধারণে সহায়ক
পৃথিবীতে সময়ের (নির্ধারণের) তিনটি স্বাভাবিক একক হচ্ছে দিন, মাস, বৎসর। এ এককগুলো Fixed করার ভিত্তি হচ্ছে সূর্য, চাঁদ এবং পৃথিবী। অর্থাৎ মানুষ সময়ের এককগুলো পেয়েছে সূর্য, চাঁদ এবং পৃথিবীর ঘূর্ণন প্রকৃতি থেকে। যেমন পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ২৪ ঘন্টা। সেজন্য পৃথিবীতে ২৪ ঘন্টায় একদিন নির্ধারণ করা হয়েছে। সূর্যের চারিদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন। তাই ৩৬৫ দিনে বছর গণনা করা হয়। সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে চাঁদের সময় লাগে ২৯ দিন ১২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট ৩ সেকেন্ড। এটাকে মোটামুটি ৩০ দিন ধরে "মাস" নির্ণয় করা হয়েছে। এভাবে আধুনিক যুগের ঘড়ি এবং ক্যালেন্ডার হচ্ছে জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy) চর্চার প্রত্যক্ষ ফল। সময়ের একক নির্ধারণ সম্পর্কে আল-কোরআন যে তথ্য দিয়েছে,
فَالِقُ الْإِصْبَاحِ ، وَجَعَلَ اللَّيْلَ سَكَنَا وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ حُسْبَانًا.
He is the cleaver of the day-break and He has appointed the night for tranquillity and the sun and the moon for reckoning of time.
তিনিই প্রভাতের সূচনা করেন এবং রাতকে প্রশান্তির জন্য আর চাঁদ এবং সূর্যকে সময় নিরূপণের জন্য নিয়োজিত করেছেন। (আনআম-৯৬)
প্রাচীনকালে সূর্যোদয় থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের ব্যাপ্তীকে দিন নির্ধারণ করা হতো। এতে দেখা গেছে ঋতু পরিবর্তন জনিত কারণে দিনের দৈর্ঘ্য ঠিক থাকে না। তাই আধুনিক বিজ্ঞানে দিন ধার্য করা হয়েছে সূর্যের পর পর দু'বার মধ্যগগনে আসার কাল পরিমাণকে। সূর্যের মধ্যগগনে আসাকে ইংরেজীতে বলা হয় Culmination.
Culmination দুই প্রকার। Upper culmination এবং Lower culmination.
Upper culmination হচ্ছে সূর্য যখন দর্শকের ঠিক মাথার উপরে আরোহণ করে দিনের সূচনা করে। আর Lower culmination হচ্ছে মধ্যগগন থেকে ঢলে সূর্য যখন ক্রমান্বয়ে দিনের সমাপ্তি ঘটায়। সুতরাং দিনে সূচনা ও সমাপ্তি ঘটার জন্য দুটি Upper culmination এবং দুটি Lower culmination সংগঠিত হতে হয়। এ ঘটনার উপর কোরআনের তথ্য হচ্ছে,
رَبُّ الْمَشْرِقَيْنِ وَرَبُّ الْمَغْرِبَيْنِ.
He is Lord of the two easts and Lord of the two wests.
তিনি দুই উদয় এবং দুই অস্তাচলের (নির্দেশনাকারী) প্রভু। (আর-রহমান-১৭)
إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِنْدَ اللَّهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِي كِتَابِ اللَّهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ.
The number of months in the sight of Allah is twelve (in a year) so was it ordained by Allah on the Day when He created the heavens and the earth.
নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট মাসের সংখ্যা হচ্ছে বারো (এক বছর)। এ নিয়ম তিনি বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন নভোমন্ডল এবং ভূ-মন্ডল সৃষ্টির দিন থেকে। (তাওবা-৩৬)
প্রশ্ন: গান-বাদ্য শুনার বিধান কী? আর যেসব ধারাবাহিক নাটক অনুষ্ঠানে নারীরা সৌন্দর্য প্রদর্শন করে, সেসব অনুষ্ঠান দেখার বিধান কী?
উত্তর: এসব ধারাবাহিক নাটক বা অনুষ্ঠান হারাম ও নিষিদ্ধ। কারণ, এর মধ্যে আল্লাহর পথে বাধা ও অন্তর ব্যাধিগ্রস্ত হওয়ার বিষয় রয়েছে এবং ঝুঁকি রয়েছে এমন সব অশ্লীল কাজে জড়িয়ে যাওয়ার, যা আল্লাহ তা'আলা হারাম ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
وَمِنَ النَّاسِ مَن يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَن سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا أُوْلَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُّهِينٌ * وَإِذَا تُتْلَى عَلَيْهِ ءَايَتُنَا وَلَّى مُسْتَكْبِرًا كَأَن لَّمْ يَسْمَعْهَا كَأَنَّ فِي أُذُنَيْهِ وَقْرًا فَبَشِّرْهُ بِعَذَابٍ أَلِيمٍ ﴾ [لقمان: ٦، ٧]
"আর মানুষের মধ্যে কেউ কেউ আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য অসার বাক্য কিনে নেয় কোনো জ্ঞান ছাড়াই এবং আল্লাহ দেখানো পথ নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। তাদের জন্য রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি। আর যখন তার কাছে আমাদের আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয়, তখন সে অহংকারে মুখ ফিরিয়ে নেয় যেন সে এটা শুনতে পায় নি, যেন তার কান দুটো বধির। অতএব, তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সংবাদ দিন"। [সূরা লোকমান, আয়াত: ৬-৭]
সুতরাং এ আয়াত দু'টিতে পরিষ্কার নির্দেশনা রয়েছে যে, বাদ্যযন্ত্র ও গান শুনাটা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুতি, আল্লাহর আয়াতসমূহকে ঠাট্টা-বিদ্রূপের বস্তু হিসেবে গ্রহণ এবং আল্লাহর আয়াতসমূহ শুনার ব্যাপারে অহঙ্কার প্রদর্শনের অন্যতম কারণ হিসেবে গণ্য।
আর যে ব্যক্তি এ কাজ করবে, আল্লাহ তা'আলা তাকে অবমাননাকর শাস্তি ও যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির হুমকি দিয়েছেন। আর অধিকাংশ আলেম আয়াতে উল্লিখিত لَهْوَ الْحَدِيثِ (অসার বাক্য)-এর ব্যাখ্যা করেছেন 'গান ও বাদ্যযন্ত্র' এর দ্বারা এবং এমন প্রতিটি শব্দ বা সুর, যা আল্লাহর পথে চলতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
আর সহীহ বুখারীতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«ليكونَنَّ من أمتي أَقْوَامٌ يَسْتَحِلُّون الحر، والحرير، والخمر، والمعازف».
"আমার উম্মতের মধ্যে অবশ্যই এমন কতগুলো দলের সৃষ্টি হবে, যারা ব্যভিচার, রেশমি কাপড়, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে।"20
হাদীসে উল্লিখিত । শব্দের অর্থ الزنا )ব্যভিচার), আর শব্দের الحرير অর্থ রেশমি কাপড়, الحرير শব্দটি (রেশমি কাপড় যা) সর্বজনবিদিত, আর তা পুরুষদের জন্য হারাম, আর ۔ (মদ) শব্দটি সর্বজন পরিচিত, আর তা হলো প্রত্যেক নেশা জাতীয় বা মাতালকারী বস্তু, আর এটা সকলের জন্য হারাম, আর المعازفশব্দের অর্থ খেল-তামাশা বা বিনোদনযন্ত্র। যেমন, বাঁশি, সেতারা, তবলা, তাম্বুরা ইত্যাদি। 21
সুতরাং মুসলিম নারী ও পুরুষ সকলের জন্য এসব অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকা এবং তা থেকে সতর্কতা অবলম্বন করা ওয়াজিব, আর অনুরূপভাবে যেসব ধারাবাহিক নাটকীয় দৃশ্যে নারীদের সৌন্দর্য প্রদর্শনের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সেগুলো দেখাও হারাম। কারণ, এর মধ্যে তার দর্শকের জন্য মহাবিপদ রয়েছে। যেমন, তার অন্তর ব্যাধিগ্রস্ত হওয়া, ব্যক্তিত্ব নষ্ট হওয়া এবং কখনও কখনও এটা তাকে এমন কাজে জড়িয়ে যেতে আকর্ষণ করে, যা আল্লাহ তা'আলা হারাম ঘোষণা করেছেন, চাই সে দর্শক পুরুষ হউক অথবা নারী। আল্লাহ তা'আলা সকলকে এমন কাজের তাওফীক দিন, যাতে তাঁর সন্তুষ্টি ও অনুমোদন রয়েছে এবং সকলকে তাঁর ক্রোধের যাবতীয় কারণ ও উপায়-উপকরণ থেকে নিরাপদে রাখুন।
শাইখ আবদুল 'আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায
টিকাঃ
²⁰ সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ৫২৬৮
²¹ আন-নিহায়া ও আল-কামুস。